11 March, 2010

প্রধানমন্ত্রী কুড়িগ্রামে ন্যাশনাল সার্ভিসের উদ্বোধন করল ন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাল শনিবার কুড়িগ্রামে বেকার যুবক ও যুব মহিলাদের কর্মসংস্থানের জন্য ‘ন্যাশনাল সার্ভিস পাইলট প্রকল্প’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে তৃণমূল পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার এ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
ন্যাশনাল সার্ভিস পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে কুড়িগ্রাম ও বরগুনা জেলায় ১৩ হাজার ৫৫০ জন শিক্ষিত বেকার দুই বছরের জন্য অস্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে। গোপালগঞ্জেও এ কর্মসূচি সম্প্রসারণের জন্য প্রাথমিক কার্যক্রম চলছে।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর বার্তা সংস্থা বাসসকে আজ শুক্রবার জানায়, ন্যাশনাল সার্ভিসে কুড়িগ্রামের নয়টি উপজেলায় ৩২ হাজার ৫৫৪ জন এসএসসি ও তদূর্ধ্ব পাস বেকার যুবক-যুবতীর মধ্য থেকে প্রাথমিকভাবে নয় হাজার ৯৫০ জনকে নির্বাচন করা হয়েছে। নির্বাচিতদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য জেলার ৩১টি ভেন্যুতে ২৯২ জন মাস্টার ট্রেইনারকে ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। একইভাবে বরগুনা জেলার পাঁচটি উপজেলা থেকে ১৩ হাজার ৯৪ জন বেকারের মধ্যে প্রাথমিকভাবে তিন হাজার ৬০০ জনকে নির্বাচন করা হয়েছে। সেখানে ১৮টি ভেন্যুতে ১৩৮ জন মাস্টার ট্রেইনারের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে।
এ কাজে সম্পৃক্তরা প্রশিক্ষণকালীন দৈনিক ১০০ টাকা এবং কর্মকালীন দৈনিক ২০০ টাকা হারে ভাতা পাবেন। সূত্র আরও জানায়, প্রাথমিকভাবে প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য একটি নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী প্রকৃত বেকারদের মধ্যে যাদের চাকরির বয়সসীমা শেষ হয়ে যাচ্ছে, বেশি দিন ধরে বেকার আছেন, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও দুস্থদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
যারা প্রাথমিক তালিকায় বাদ পড়বে, তারাও পরবর্তীকালে পর্যায়ক্রমে এ কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন বলে কর্মকর্তারা জানান।
কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. আসাদুজ্জামান জানান, প্রধানমন্ত্রী কাল কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে সুধীজন, সুবিধাভোগী ও জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।
কুড়িগ্রাম-২ আসনের সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাফর আলী জানান, বর্তমান সরকারের যুগান্তকারী এ কর্মসূচি অনগ্রসর কুড়িগ্রাম থেকে শুরু হচ্ছে। এ জন্য কুড়িগ্রামবাসী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবে এবং তাঁর নেতৃত্বে উন্নত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে তাঁর হাতকে আরও শক্তিশালী করবে

31 December, 2009

HAPPY_NEW-YEAR=2010

WELL COME HAPPY NEW YEAR=2010

28 December, 2009

চির তরুণ থাকার ১৫ উপায়

১· খুব ধীরে ধীরে চেষ্টা করতে করতে কয়েক মাসের মধ্যে সকালে ঘুম থেকে উঠে চার গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন। এর পর বাথরুমে যান।

২· বাথরুম থেকে ফিরে এসে আরও এক গ্লাস পানি খান এবং তার পর খান দুধ ছাড়া খুব হালকা এক কাপ চা। আপনার ওজন বেশির দিকে হলে চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। চা কখনোই অতিরিক্ত গরম খাবেন না।

৩· সারা দিনে ৮ থেকে ১২ গ্লাস বাড়তি পানি খাবেন। উপরোক্ত রং চা দিনে কমপক্ষে চার কাপ খাবেন।

৪· ওপরের নিয়মে পানি খাওয়ার নাম হচ্ছে হাইড্রোথেরাপি রা জলচিকিৎসা। মূলত এটি হচ্ছে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার বছরের প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসা। আধুনিক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে- ঘুম থেকে উঠে ধীরে ধীরে চার গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস করলে প্রায় ৩৬ ধরণের রোগ হয় না এবং হলেও সেরে যায়।

৫· অপর পক্ষে, দুধহীন এবং দুধ-চিনি-হীন হালকা গরম চা হচ্ছে আড়াই হাজার বছর আগের একটি চায়নিজ হারবাল মেডিসিন। সেকালে এই চা দিয়ে হার্ট, ব্লাড প্রেসার (উচ্চ রক্তচাপ) ও পেটের নানা রকম রোগের চিকিৎসা করা হতো। আবার আধুনিক বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে- চায়ে রয়েছে অ্যান্টিঅিডেন্ট, যা ক্যান্সার প্রতিরোধে নিশ্চিত অবদান রাখে। এ ছাড়াও অন্য বহুগুণ রয়েছে চায়ে। তবে যে চা-টা প্রক্রিয়াজাত হয়নি, সে চায়ের গুণাগুণই অপেক্ষাকৃত ভালো।

৬· ভিটামিন সি একটি বৈপ্লবিক খাদ্যপ্রাণ। অসংখ্য এর গুণাগুণ। জানা গেছে, দিনে ১ হাজার মিলিগ্রাম ভিটামিন সি খেলে মানুষ চির তরুণ থাকে। তবে ট্যাবলেট খেলে কিছুই উপকার পাওয়া যায় না। খেতে হবে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ তাজা ফলমূল। প্রতিদিনই খেতে হবে। ভিটামিন সিও ক্যান্সার ঠেকাতে সাহায্য করে।

৭· আমলকি, সব ধরনের লেবু, টমেটো, কমলা, পেয়ারা, নানা রকর টক স্বাদের ফলে বিভিন্ন মাত্রায় ভিটামিন সি রয়েছে।

৮· রেডমিট অর্থাৎ গরু, মহিষ, খাসি, ভেড়া ইত্যাদির মাংস খাওয়া ছেড়ে দিতে হবে। ফার্মের মুরগিও চলবে না। শুধু চর্বিহীন বাচ্চা মুরগির মাংস খাওয়া চলতে পারে।

৯· প্রচুর পরিমাণে আধা-সেদ্ধ শাক-সবজি, তরিতরকারি এবং খুব অল্প পরিমাণে ভাত-রুটি, এই হওয়া উচিত আপনার দৈনন্দিন মূল খাদ্য।
ভাজাভুজি খাবেন না। অতিরিক্ত তেল, চর্বি, ঘি, মাখন খাবেন না। মসলার বিভিন্ন ভেষজ গুণ আছে, তবুও রান্নায় খুব বেশি মসলা ব্যবহার করবেন না।

১০· সালাদ হিসাবে প্রতিদিন বেশি করে খাবেন কাঁচা লেটুস পাতা, পুদিনা পাতা, টমেটো ইত্যাদি।

১১· বিধিনিষেধ না থাকলে সকালে খালি পেটে এক চামচ মধু খাবেন।

১২· পূর্ণবয়স্কদের জন্য গরু, ছাগল, মহিষের দুধ অপ্রয়োজনীয় তো বটেই, রীতিমতো ক্ষতিকর। দুগ্ধজাত খাবারই তাই।

১৩· ছোট-বড় সব ধরনের মাছ খাবেন। সমুদ্রের মাছ খাওয়া অভ্যাস করতে পারলে তো খুবই ভালো। কেননা, ওটা মহৌষধ। গাদা-গাদা মাছের কাটা খাওয়া ঠিক নয়। ওতে পাকস্থলিতে পাথর হতে পারে।

১৪· সূর্যমূখী ফুলের বীজ হচ্ছে হার্টের ভেষজ ওষুধ। রান্নায় সূর্যমূখী তেল ব্যবহার করলে হার্টের সুরক্ষা যেমন হয়, তেমনি হার্টের অসুখ থাকলে তা সারাতে সাহায্য করে।

১৫· প্রতিদিন অল্প একটু টক দই খাওয়ার অভ্যাস করুন। টক দই উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে।

05 November, 2009

সঠিক ভাবে ডিভি ২০১১ ফরম পূরন করুন

যুক্তরাষ্ট্রকে অনেকই স্বপ্নের দেশ মনে করে আর তাই প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ ডিভি লটারীর জন্য অনলাইনে আবেদন করে। কিন্তু দোকানে বা সাইবার ক্যাফেতে যারা ডিভি করে থাকেন তাদের বেশ কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিৎ। ঠিকঠাক মত ডিভির ছবি না হলে শুরুতেই আপনার আবেদন বাতিল হয়ে যাবে তাই ছবির ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) ২০১১-এর অধীনে এবারও ফরম পূরণ করতে হবে অনলাইনে।
সম্প্রতি ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দূতাবাসের পক্ষ থেকে সকল প্রতারণা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। দূতাবাসের পক্ষ থেকে ডিভি ২০১১ লটারিতে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক প্রার্থীদের অন-লাইনে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সময় কিছু নির্দেশনা অনুসরণের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ডিভি ২০১১ আবেদন সংক্রান্ত নির্দেশনা ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের ওয়েবসাইট htp://dhaka.usembassy.gov থেকে পাওয়া যাবে।


মূল ঠিকানা: www.dvlottery.state.gov
এ্যাপলিকেশেন ফর্ম: www.dvlottery.state.gov/application.aspx
ছবি কেমন হবে (বিস্তারিত): www.dvlottery.state.gov/photo.aspx

জোকস

সৃষ্টিকর্তা মানজাতির উপর ভীষণ বিরক্ত হয়ে পৃথিবী ধ্বংস করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। তবে একেবারে হঠাত্‍ করে ধ্বংস না করে তিনি প্রথমে পৃথিবীর তিনজন প্রভাবশালী ব্যক্তির মাধ্যমে সংবাদটা পৃথিবীর মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি লিবীয় নেতা মোয়াম্মার আল গাদ্দাফী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডাব্লিউ বুশ এবং বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ডঃ ফখরুদ্দীন আহমদকে নিজের কাছে তুলে নিলেন এবং বললেন, আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে পৃথিবী ধ্বংস করে দিব। তোমাদের দায়িত্ব হচ্ছে পৃথিবীতে ফিরে গিয়ে তোমাদের অনুসারীদের কাছে এই সংবাদ পৌঁছে দেওয়া। এই বলে তিনি আবার তাদেরকে পৃথিবীতে ফিরিয়ে দিলেন।

পৃথিবীতে ফিরে এসেই গাদ্দাফী আফ্রিকান ইউনিয়নের জরুরী মিটিং ডাকার ব্যবস্থা করলেন। মিটিংয়ে তিনি আফ্রিকান নেতাদের উদ্দেশ্যে বললেন, আমার কাছে দুটো সংবাদ আছে - একটা ভালো এবং আরেকটা খারাপ। ভালোটা হল, এই দুনিয়ার আসলেই একজন সৃষ্টিকর্তা আছেন। আর খারাপটা হল, সৃষ্টিকর্তার মাথা খারাপ হয়ে গেছে। তিনি আগামী সপ্তাহেই পৃথিবী ধ্বংস করে দিবেন।

বুশ জরুরী মিটিংয়ে বসলেন গর্ডন ব্রাউনের সঙ্গে। তিনি বললেন, আমার কাছে দুটো খবর আছে - একটা খারাপ এবং আরেকটা আরো খারাপ। খারাপ খবরটা হল, আগামী সপ্তাহে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। আর আরো খারাপটা হল, আমরা সবাই নরকে যাচ্ছি। কারণ সৃষ্টিকর্তা সত্যি সত্যিই আছেন।

ওদিকে প্রধান উপদেষ্টা ডঃ ফখরুদ্দীন আহমদ উপদেষ্টা পরিষদের জরুরী অধিবেশন ডাকলেন। বিশেষ বিবেচনায় সে অধিবেশনে সেনাপ্রধান জেনারেল মঈন উ আহমেদকেও আমন্ত্রণ জানানো হল। ফখরুদ্দীন আহমদ তার স্বভাবসুলভ গাম্ভীর্য পরিহার করে হাসিমুখে বললেন, আমার কাছে দুটো খবর আছে - একটা ভালো এবং আরেকটা আরো ভালো। ভালোটা হল, সৃষ্টিকর্তা আমাকে পৃথিবীর তিনজন প্রভাবশালী ব্যক্তির একজন হিসেবে বিবেচনা করেছেন। আর আরো ভালোটা হল, ২০০৮ এর নির্বাচনটা আমাদেরকে আর করতে হচ্ছে না। কারণ পৃথিবীটা নির্বাচনের আগেই ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।

আয়কর ফাঁকি



সম্প্রতি বাংলাদেশের এক বিখ্যাত (!) রাজনৈতিক নেতা কর ফাঁকি মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন। তার সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ত্রিশ কোটি টাকা এবং প্রতি মাসে তার বৈধ-অবৈধ আয়ের গড় পরিমাণ প্রায় দুই লাখ টাকা। কিন্তু এই বিপুল আয় থাকা সত্ত্বেও তিনি কখনোই কোন কর দেননি। কাজেই গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হল। রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে উপস্থিত করা হলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি তাকে অত্যন্ত বিণীতভাবে জিজ্ঞেস করলেন, জনাব , আপনি কি স্বীকার করেন যে, আপনার মাসিক আয় গড়ে দুই লক্ষ টাকা?

নেতা বিন্দুমাত্র না ঘাবড়ে উত্তর দিলেন, হ্যাঁ অবশ্যই।

আইনজীবি দেখলেন রিমান্ডে গিয়ে আসামীর বোধোদয় হয়েছে - বেশ সোজা পথেই উত্তর দিচ্ছে। কাজেই বেশি কথায় না গিয়ে তিনি সরাসরি বললেন, তাহলে আপনি নিশ্চয়ই স্বীকার করবেন যে এই বিপুল আয়ের কর দেয়া আপনার উচিত্‍ ছিল এবং সেটা না দিয়ে আপনি অপরাধ করেছেন এবং সে জন্য আপনার শাস্তি হওয়া উচিত?

উকিলের ধারণা ভুল প্রমাণ করে নেতা এবার বেশ দৃঢ়ভাবে উত্তর দিলেন, না। আমি তা মনে করি না।

আইনজীবি অত্যন্ত আশ্চর্য হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, কেন? আপনি নিজেই স্বীকার করলেন আপনার আয় এত বেশি - অথচ আপনি বলতে চাইছেন সে আয়ের কর না দিয়ে আপনি কোন অপরাধ করেন নি?

আসামী এবার আগের বারের মতোই সপ্রতিভ ভাবে জবাব দিলেন, দেখুন আপনারা শুধু আমার আয়ের খোঁজই নিয়েছেন অন্য কিছুর খোঁজ নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেন নি। আপনারা কি জানেন, আমার মা গত দশ বছর ধরে ক্যানসারে শয্যাশায়ী? তার কেমোথেরাপি চলছে গত তিন বছর ধরে এবং তার প্রতি বছরের হাসপাতালের বিল আমার বার্ষিক আয়ের কত গুণ?

আইনজীবি হঠাত্‍ কি বলবেন বুঝে উঠতে পারলেন না। কোনমতে আমতা আমতা করে বললেন, মানে আমরা ঠিক

কিন্তু তার কথা শেষ হওয়ার আগেই আসামী আবার শুরু করলেন, আপনারা কি জানেন আমার ভাই সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে এখন পঙ্গু হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে এবং প্রতিদিন তার পেছনে কত হাজার টাকা খরচ হচ্ছে?

আইনজীবি আবারও কিছু একটা বলতে যাচ্ছিলেন কিন্তু আসামী বলেই চললেন, আপনারা কি এটা জানেন যে আমার একমাত্র ছোট বোনের হাসব্যান্ড গত বছর সন্ত্রাসীদের গুলিতে মারা গেছে এবং সেই বোন তার ছোট ছোট তিন ছেলেমেয়ে পথে বসেছে?

আইনজীবি এবার বেশ পরিষ্কার গলাতেই বললেন, আসলে আমিতো এসবের কিছুই জানতাম। আমার মনে হয় আসলেই আপনার ব্যাপারে আরো খোঁজ নেওয়া উচিত্‍ ছিল

আসামী এবার বিচারকের দিকে তাকিয়ে দৃঢ়কন্ঠে বললেন, এখন মাননীয় বিচারক, আমি যদি আমার মা, ভাই, বোন এদের এত দুরবস্থা সত্ত্বেও তাদেরকে একটা পয়সা সাহায্য না দিয়ে থাকতে পারি, তাহলে খামোখা কর দিতে যাব কেন?



ফ্লপি ডিস্কের যত্ন নেওয়ার দশটি পদ্ধতি

ফ্লপি ডিস্ক সর্বদা পরিষ্কার রাখতে হবে। নইলে ডাটাগুলো ময়লা হয়ে যাওয়ার অর্থাত্‍ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। প্রতিদিন ডিস্কেটের কভার খুলে ভেতরের টেপ পরিষ্কার তুলা দিয়ে মুছে পরিষ্কার করতে হবে এবং সপ্তাহে অন্তত একদিন তা হুইল পাউডার মিশ্রিত পানি দিয়ে ভালোমতো ধুয়ে পরিষ্কার করতে হবে। এরফলে ডিস্কেটের ঘূর্ণন আরো মসৃণ হবে।

ডিস্কেটের গায়ে লেগে থাকে অতি সূক্ষ্ম মাইক্রোস্কপিক মেটাল পার্টিকেলগুলো পরিষ্কার করার জন্য এর উপর দিয়ে নিয়মিত শক্তিশালী চৌম্বক প্রবাহ চালনা করতে হবে।

সিস্টেম বাগ থেকে ডিস্কেটকে নিরাপদ রাখতে চাইলে এর উপর নিয়মিত কীটনাশক ওষুধ স্প্রে করতে হবে।

ডিস্কেটকে অত্যন্ত জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ভাঁজ করা উচিত্‍ না। তবে সোয়া পাঁচ ইঞ্চি ডিস্কেটকে সাড়ে তিন ইঞ্চির ড্রাইভে প্রবেশ করাতে চাইলে ভাঁজ করা যেতে পারে।

ভুলেও কখনও ড্রাইভের ভেতরে ডিস্কেট রেখে কম্পিউটার বন্ধ করে দেওয়া যাবে না। কারণ ড্রাইভের ভেতরে অবস্থানকালে ডিস্কেটের অভ্যন্তরস্থ ডাটাগুলো লিক করতে পারে এবং এর ফলে ড্রাইভের ভেতরের যন্ত্রাংশও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

ডিস্কেটের উপরের পিঠ যেন ভুলেও নিচের দিকে দিয়ে প্রবেশ করানো না হয়, সে ব্যাপারে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। কারণ উল্টো করে প্রবেশ করালে মূল্যবান ডাটাগুলো সব নিচের দিকে পড়ে যেতে পারে এবং ড্রাইভের ভেতরে জ্যাম লাগিয়ে দিতে পারে।

ডিস্কেটকে ফটোকপি মেশিনে প্রবেশ করিয়ে এর ডাটা ব্যাকআপ করা সম্ভব নয়। যদি একান্তই কোন ডাটা ব্যাকআপ করার প্রয়োজন পড়ে, তাহলে ড্রাইভে একই সাথে দুটো ডিস্কেট ঢুকিয়ে দিতে হবে। এরপর যে যে ডকুমেন্ট ডিস্কেটে রাখা প্রয়োজন সেগুলো দুটো ডিস্কেটে পাঠিয়ে দিলেই হবে।

ডিস্কেট পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পরেও যদি এতে আরো অতিরিক্ত ডাটা প্রবেশ করাতে হয়, তাহলে প্রথমে ড্রাইভ থেকে ডিস্কেটটা বের করে দুমিনিট ধরে বিরতিহীনভাবে জোরে জোরে ঝাঁকাতে হবে। এরফলে এর অভ্যন্তরের ডাটাগুলো সংকুচিত হবে এবং কিছু ফ্রি স্পেস সৃষ্টি হবে।

খালি হাতে কলম দিয়ে ডিস্কেটে কোন ডাটা রাইট করার চেষ্টা করা উচিত্‍ না। একইভাবে কাঁচি এবং সুপার-গ্লু দিয়ে কাট-কপি-পেস্ট করার চেষ্টাও করা উচিত্‍ না। কারণ ডাটাগুলো এতই ক্ষুদ্রাকৃতির যে, খালি চোখে সেগুলোকে দেখা সম্ভব না। তবে ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপ এবং সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতি থাকলে ম্যানুয়ালি ডাটা কাট-কপি-পেস্ট করা যেতে পারে।

ডিস্কেটের ডাটা ট্রান্সফার রেট বাড়ানোর জন্য এর কভারের গায়ে আরো কিছু ছিদ্র করে দেওয়া যেতে পারে। এরফলে ড্রাইভের রীডার হেড ডাটা রীড-রাইট করার জন্য আরো বেশি সংখ্যক অ্যাকসেস পয়েন্ট পাবে। তবে এই পদ্ধতিতে ডাটা লস হওয়ার সম্ভাবনাও বেশি থাকে। তাই ড্রাইভ থেকে ডিস্কেট বের করার সাথেই সাথেই এটাকে স্কচটেপ দিয়ে ভালোভাবে পেঁচিয়ে ফেলতে হবে যেন ডাটা কোন দিক দিয়ে বেরিয়ে যেতে না পারে।



গণিতজ্ঞের চায়ের পানি গরম করা

এক গণিতজ্ঞ দিনরাত গণিত নিয়ে এতই ব্যস্ত থাকেন যে, একমাত্র গণিত ছাড়া দুনিয়ার আর কোন প্র্যাক্টিক্যাল বিষয় সম্পর্কে তার পরিষ্কার কোন ধারণা নেই। এই নিয়ে তার স্ত্রী সবসময়ই তার উপর চোটপাট করেন। কাজেই স্ত্রীর মন রক্ষা করার জন্য একদিন তিনি স্ত্রীকে আশ্বাস দিয়ে বললেন, যাও এখন থেকে আমি তোমার কাছ থেকে টুকটাক সংসারের কাজকর্ম শিখব। স্ত্রী খুবই আনন্দিত হয়ে প্রথমেই তাকে চা তৈরি করা শিখিয়ে দিলেন।

চা তৈরির নিয়মটা স্বামীর মনে আছে কি না, সেটা পরীক্ষা করার জন্য দুদিন পরে স্ত্রী স্বামীকে জিজ্ঞেস করলেন, আচ্ছা বল তো, তোমাকে যদি একটা কেতলি আর দেশলাই দেওয়া হয় আর বলা হয় ঘরে গ্যাসের স্টোভ আছে এবং কলে পানি আছে, তাহলে তুমি ঠিক কিভাবে চায়ের পানি গরম করবে?

জটিল সব গণিতের সমস্যায় বেচারা স্বামী নিয়মটা ভুলেই গিয়েছিলেন। কিন্তু অনেক ভেবে কিছুটা স্মরণ শক্তি থেকে আর বাকিটা অনুমান থেকে ভয়ে ভয়ে বললেন, প্রথমে কেতলিতে পানি নিব। তারপর দেশলাই জ্বালিয়ে গ্যাসের স্টোভটা চালাবো। তারপর কেতলিটা স্টোভের উপর বসিয়ে পানিটা গরম করলেই তো মনে হয়ে যাবে। তাই না?

হ্যাঁ, হয়েছে - স্ত্রী বললেন। আচ্ছা এবার বলতো, যদি তোমাকে একটা পানি ভর্তি কেতলি দেওয়া হয় আর একটা দেশলাই এবং গ্যাসের স্টোভ দেওয়া হয়, তাহলে কি করবে?

গণিতজ্ঞ এবার হাসিমুখে উত্তর দিলেন, এটা তো খুবই সহজ। প্রথমে কেতলি থেকে পানিটা ফেলে দিব। তাহলেই সমস্যাটা ঠিক আগের সমস্যাটার মতো হয়ে যাবে। আর সেটার সমাধান তো একটু আগেই করেছি। তাই না!



মাইক্রোসফট সাপোর্ট সেন্টার

টেক্সাস থেকে বেশ কিছু যাত্রী নিয়ে রওয়ানা হওয়া একটা ছোট ইঞ্জিনবিশিষ্ট চার্টার প্লেন সিয়াটলের কাছাকাছি এসে ঘন কুয়াশার মধ্যে পড়ে গেল। মড়ার উপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো ঠিক এই সময় তার ইঞ্জিনটাও বিগড়ে গেল। প্লেনের পাইলট উপায়ান্তর না দেখে আশেপাশে ল্যান্ড করার উপযোগী জায়গার খোঁজ করতে লাগল। কিন্তু রেডিও সহ অন্যান্য যন্ত্রপাতিগুলোও একে একে সাড়া দিতে অস্বীকার করার ফলে প্লেনের অবস্থান জানতে না পারার কারণে সেটা খুব একটা সহজ হল না।

এভাবে ঘন্টাখানেক যাওয়ার পর পাইলট টের পেল যে, প্লেনের জ্বালানীও কমে আসছে। তাই সে প্লেনটাকে যথাসম্ভব নিচে নামিয়ে আনল এবং খালি চোখের উপর ভরসা করে ল্যান্ড করার মতো জায়গা খুঁজতে লাগল। এমন সময় কুয়াশা একটু কমে আসার কারণে সে একটু দূরেই একটা উঁচু ভবন দেখতে পেল, যার পঞ্চম তলায় এক ভদ্রলোক নিবিষ্ট মনে কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করে যাচ্ছিলেন। পাইলট খুবই আশান্বিত হয়ে প্লেনটাকে ঘুরিয়ে বিল্ডিংটার জানালার সামনে দিয়ে ঘুরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় চিত্কার করে লোকটাকে জিজ্ঞেস করল, এই যে ভাই, বলতে পারেন আমি এখন ঠিক কোথায় আছি? উত্তরে ভদ্রলোক বললেন, আপনি এই মুহূর্তে একটা ছোট ইঞ্জিনবিশিষ্ট চার্টার প্লেনের ভেতরে আছেন।

ভদ্রলোকের এই উত্তর শুনে যাত্রীরা যারপরনাই হতাশ হলেও পাইলট আনন্দে প্রায় লাফিয়ে উঠল। সে সাথে সাথে প্লেনটাকে বিল্ডিংটা থেকে ঠিক 100 মিটার সামনে নিয়ে এরপর ঠিক 275 ডিগ্রী ঘুরিয়ে নিল। তারপর সোজা 5.3 কিলোমিটার গিয়ে আশেপাশে কোন কিছুর দিকে না তাকিয়ে একেবারে আক্ষরিক অর্থেই চোখ বন্ধ করে প্লেনটাকে নিখুঁতভাবে ল্যান্ড করিয়ে ফেলল। আর ঠিক সেই মুহূর্তে প্লেনের জ্বালানী সম্পূর্ণ শেষ হয়ে গেল।

বিস্মিত যাত্রীরা প্লেন থেকে নেমেই পাইলটকে ঘিরে ধরল এবং জিজ্ঞেস করল যে সে কিভাবে এই অসম্ভবকে সম্ভব করল। পাইলট উত্তর দিল, খুবই সহজ। আমি যখন ঐ ভদ্রলোককে জিজ্ঞেস করলাম যে আমি কোথায়, তখন সে যেই উত্তরটা দিল সেটা ছিল একশ পার্সেন্ট সঠিক কিন্তু সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয়। কাজেই আমি বুঝে গেলাম যে এটা হচ্ছে মাইক্রোসফট সাপোর্ট সেন্টার অফিস। আর সিয়াটল এয়ারপোর্টটা এমএস সাপোর্ট সেন্টার থেকে কতদূরে সেটা তো আমার জানা ছিলই।

01 October, 2009

হাসির রাজা গোপাল ভাঁড়

একদিন রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সাথে গোপালের কোনো বিষয় নিয়ে তুমুল বিতন্ডা লেগে গিয়েছে। তর্কা-তর্কির এক পর্যায়ে রাজা রেগে কাঁই হয়ে গোপালকে বলেন, ‘গোপাল তোমার বাড় ইদানিং বড্ড বেড়েছে। মুখে মুখে যে তর্ক করছো, আমার সাথে তোমার দূরত্ব কত জানো?’ গোপাল চটপট উঠে দাঁড়িয়ে সিংহাসণ থেকে নিজের আসনের দূরত্ব মেপে নিয়ে বলে, ‘বেশি না রাজা মশাই। মোটে সাড়ে তিন হাত!’

একদিন এক প্রতিবেশী গোপাল ভাঁড়ের কাছে এসে :
'আমাকে একটা চিঠি লিখে দাও।'
'আমি চিঠি লিখতে পারবো না, আমার পায়ে ব্যথা।'
প্রতিবেশী আশ্চর্য হয়ে বললো, 'চিঠি তো লিখবে হাত দিয়ে, পায়ে ব্যথা তাতে কী হয়েছে?'
'কারণ আমি অতোদূর হেঁটে যেতে পারবো না।'
'অতোদূর হাঁটতে পারবে না মানে?'
'মানে আমার লেখা চিঠি আমি ছাড়া আর কেউ পড়তে পারবে না। আমার হাতের লেখা খুব খারাপ তো। যাকে চিঠি পাঠাবে, তাকে তো আমাকেই পড়ে দিয়ে আসতে হবে, তাই না? পায়ে ব্যথা নিয়ে যাবো কিভাবে?'
সংগ্রহিত

একাত্তরের চিঠি

ওয়াসেকা তখন ছোট্ট মেয়ে। এতই ছোট যে পড়তে পর্যন্ত পারে না। তারপরেও মেয়েকে উদ্দেশ্য করে এই চিঠি লিখেছিলেন চট্টগ্রামের রাজনীতিবিদ আতাউর রহমান খান। কারণ মনে শঙ্কা ছিল, মেয়ে বড় হওয়া পর্যন্ত দুনিয়ার আলো-হাওয়া দেখার সুযোগ নাও পেতে পারেন তিনি।

১৬ই জুলাই ১৯৭১ ইং
মামণি আমার,
তুমি যখন ইনশাল্লাহ পড়তে শিখবে, বসতে শিখবে তখনকার জন্য আজকের এই চিঠি লিখছি। তোমরা (…) নিশ্চয়ই। অনেক অভিমান জমা, আব্বু তোমাকে দেখতে কেন আসে না? মামণি, আব্বু আজ তোমার জন্মদিনে তোমাকে বুকে নিয়ে বুক জুড়াতে পারছি না, এই দুঃখ তোমার আব্বুর জীবনেও যাবে না।। কী অপরাধে তোমার আব্বু আজ তোমার কাছে আসতে পারে না, তোমাকে কোলে নিয়ে আদর করতে পারে না, তা তুমি বড় হয়ে হয়তো বুঝবে, মা। কারণ আজকের অপরাধ তখন অপরাধ বলে গণ্য হবে না। আজকে এ দেশের জনসাধারণ তোমার আব্বুর মতই অপরাধী, কারণ তারা নিজেদের অধিকার চেয়েছিল। অপরাধী দেশবরেণ্য নেতা, অপরাধী লেখক, শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক – এ দেশের সব বুদ্ধিজীবী কারণ তারা এ দেশকে ভালোবাসে। হানাদারদের কাছে, শোষকদের কাছে এর চেয়ে বড় অপরাধ আর কিছুই নেই। এই অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। সেই দণ্ড এড়াবার জন্য লাখ লাখ লোক দেশ ত্যাগ করেছে। সেই দণ্ড এড়াবার জন্য তোমার আব্বুকে গ্রামে – গ্রামে, পাহাড়ে – জঙ্গলে ঘুরে বেড়াতে হচ্ছে। তাই আজ বুক ফেটে গেলেও আব্বু এসে তোমাকে নিয়ে আদর করতে পারছে না। মনের মণিকোঠায় তোমার সেই ছোট্ট মুখখানি সব সময় ভাসে, কল্পনায় তাকে চুমোয় চুমোয় ভরিয়ে দিই। আর তাতেই তোমার আব্বুকে সান্ত্বনা পেতে হয়।

আব্বু, নামাজ পড়ে প্রত্যেক ওয়াক্তে তোমার জন্য দোয়া করি। আল্লাহ রহমানুর রাহিমের কাছে মোনাজাত করি, তিনি যেন তোমার আম্মুকে আর তোমাকে সুস্থ রাখেন, বিপদমুক্ত রাখেন।

মামণি, তোমার আম্মু লিখেছে, তুমি নাকি এখন কথা বলো। তুমি নাকি বলো, ‘আব্বু জয় বাংলা গাইত।’ ইনশাল্লাহ সেই দিন আর বেশি দূরে নয় আব্বু আবার তোমাকে জয় বাংলা গেয়ে শোনাবে। যদি আব্বু না থাকি, তোমার আম্মা সেদিন তোমাকে জয় বাংলা গেয়ে শোনাবে। তোমার আম্মু আরো লিখেছে তুমি নাকি তোমাকে পিট্টি লাগালে আম্মুকে বের করে দেবে বলে ভয় দেখাও। তোমার আম্মু না ভীষণ বোকা। খালি তোমার আর আমার জন্য কষ্ট করে। বের করে দিলে দেখো আবার ঠিক ঠিক ফিরে আসবে। আমাদের ছেড়ে থাকতে পারবে না। তোমার আম্মু দুঃখ পেলে এখন আর কাউকে বলবে না। একা একা শুধু কাঁদবে।তুমি আদর করে আম্মুকে সান্ত্বনা দিও কেমন? তুমি আমার অনেক অনেক চুমো নিও।

ইতি
আব্বু

সংগ্রহিত

জ্বীনও কাজ শেষ করতে পারলো না।

এক ব্যক্তি মন্ত্র শিখার জন্য একদিন এক হুজুরের দরবারে হাজির। হুজুর জ্বীন কিভাবে হাজির করে আমাকে সেই মন্ত্র শিখাবেন। হুজুর বলে ক্যানো? উনি বলে আমার দরকার ভিষণ দরকার। আপনি আগে হাজির করুন। ঠিক আছে মন্ত্র দিয়ে হুজুর জ্বীন হাজির করলো এখন উনি বলে ঐ জ্বীনদের বলেন আমার বাড়ী পাকা করে দিতে। জ্বীন বাড়ী পাকা করে দিয়ে বলে কাজ দে নইলে তোরে মাইরা ফেলামু, যে ব্যক্তি জ্বীন হাজির করেছিল তার কাছে তেরে নিয়ে যাচ্ছে জ্বীন উনাকে। হুজুর তো টের পেয়ে চিন্তা করছে এখন অবস্থা খারাপ, কি করা যায়? এর মাঝে সামনে দ্যাখে একটা কুকুর দাড়িয়ে আছে তখন সাথে সাথে হজুর বলে কাজ আছে। তোমরা ঐ কুকুরটার বাকা লেজটা সোজা করো। জ্বীনের দল লেগে গেলো। লেজ সোজা করার জন্য টানে আবার যখনই ছেড়ে দেয় তখনই বাকা হয়ে যায়। জ্বীন চিন্তা করে এ কাজ তো কেয়ামতের আগের দিন ও শেষ হবে না। কি করা যায়? এবার চোঙা বানিয়ে এনে কুকুরের লেজ চোঙার মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়ে কতক্ষন রেখে আবার ছেড়ে দিয়ে দেখে সেই আগের ন্যায়। তাই জ্বীন বলে মানুষের মাথায় এত বুদ্ধি যে এমন কাজ দিলো যা কিনা কেয়ামতের আগের দিনও শেষ করা যাবে না।

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ