04 September, 2013

অ্যানড্রয়েড কি..?

অ্যানড্রয়েড আজকাল অনেক জনপ্রিয় একটি নাম।
এ সম্পর্কে জানার আগ্রহ সবার।কী এই অ্যানড্রয়েড? কেনই বা এত আলোচনা একে ঘীরে? বিশেষ করে সারা পৃথিবীতে স্মার্টফোনের বিপুল বিস্তারের ফলে, অ্যানড্রয়েড নামটি আরো বেশি মানুষের মুখে মুখে চলে এসেছে। এমনও হয়তো দেখা যাবে, একজন সাধারণ মানুষ কিংবা বাড়ির বুড়ো দাদা/দাদী এসে জিজ্ঞেস করছেন, আচ্ছা ‌অ্যানড্রয়েড আবার কী! এখানে আমরা চেষ্টা করবো কিছু বেসিক ধারণা দেয়ার। যারা ইতোমধ্যেই অ্যানড্রয়েড নিয়ে কাজ করছেন, তাদের জন্য হয়তো এলেখাগুলো খুব একটা কাজে দিবে না। তবে যারা কিছুটা জানতে চান, এবং ধীরে ধীরে এর দুনিয়ার প্রবেশ করতে চান, তারা হয়তো বেশ উপকৃত হবেন।
অ্যানড্রয়েড(Android) বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম। এর নামকরণ করা হয়েছে “অ্যানড্রয়েড” নামক একটি রোবট-এর নাম অনুসারে, যা দেখতে অনেকটা মানুষের মত (উপরের ছবিটি দেখলে বুঝা যাবে)। লিনাক্স-এর উপর তৈরী করা (ওপেন লিনাক্স কার্নেল) এই অপারেটিং সিস্টেম তৈরী করেছে ‘গুগল’। এতে ব্যবহার করা হয়েছে জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।যদিও ২০০৫ সাল থেকে অ্যানড্রয়েড সফলভাবে কাজ করতে শুরু করে, তবুও এটা অফিশিয়ালী বাজারে ঘোষণা করা হয় ৫ নভেম্বর, ২০০৭ । তার পরপরেই এসডিকে (সফটওয়্যার ডেভেলপম্যান্ট কিট) বাজারে ছাড়া হয়। আর ১ বছর পর ২০০৮ সালের নভেম্বরে প্রথম অ্যানড্রয়েড মোবাইল ফোন "জি-১" বাজারে ছাড়ে এইচটিসি/টি-মোবাইল । এই মাসেই পুরো সোর্স কোড ওপেন করে দেয়া হয় ।সম্প্রতি বের হওয়া অধিকাংশ জনপ্রিয় স্মার্টফোন অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম সাপোর্ট করে। যেহেতু অ্যানড্রয়েড ওপেনসোর্স লিনাক্সে তৈরি, ফলে ডেভেলপার প্রয়োজনে এতে নানা পরির্বতন করে নিতে পারবে।
অ্যানড্রয়েড চালিত বিভিন্ন ফোনের গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস বিভিন্ন হয়। এতে বিল্ট-ইন অ্যাপ্লিকেশন থাকে; পাশাপাশি এটি থার্ড-পার্টি প্রোগ্রামও সাপোর্ট করে। ডেভেলপাররা অ্যানড্রয়েড “সফটওয়্যার ডেভেলপার কিট” সংক্ষেপে SDK ব্যবহার করে অ্যানড্রয়েড-এর জন্য প্রোগ্রাম তৈরী করতে পারে।
এটি জিএসএম টেলিফোনি সাপোর্ট করে, এবং মোবাইল ডিভাইসের জন্য অপটিমাইজ করা আছে। এতে অডিও, ভিডিও এবং বিভিন্ন ফরম্যাটের ছবি ইত্যাদি মিডিয়া সাপোর্ট রয়েছে। এতে রয়েছে ব্লুটুথ,এজ, থ্রি জি এবং ওয়াইফাই সুবিধা। সম্প্রতি এতে যোগ হয়েছে ফোর-জি প্রযুক্তি।
এত সব সুবিধা আছে বলেই মোবাইল ডিভাইসে অ্যানড্রয়েডের প্রতিদ্বন্দ্বী বলতে গেলে নেই। গুগলের এই অপারেটিং সিস্টেম এত বেশী জনপ্রিয় যে, স্মার্টফোন আর অ্যানড্রয়েড এখন যেন অনেকটাই সমার্থক। আর তাই চাকুরীর বাজারেও অ্যানড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপমেন্টের স্থান অনেক উপরে...!

অ্যানড্রয়েড কার্নেলঃ-
সবাই কম বেশি কার্নেল শব্দটা শুনেছেন। এবং না শোনাটাই বরং অবাক হবার মতো ব্যাপার হবে। আর অ্যানড্রয়েড বা লিনাক্স শুনলে প্রথমেই কার্নেলের কথা চলে আসে। কিন্তু কার্নেল তো লিনাক্স-এর একার সম্পত্তি নয়। যে কোনও অপারেটিং সিস্টেম যেমন উইন্ডোজ, ম্যাক, লিনাক্স - সবারই কার্নেল রয়েছে। মূলত কার্নেল হার্ডওয়্যারকে নিয়ন্ত্রণ করে। এজন্য তার অনেক অনেক সোর্স কোড দরকার হয়। সোর্স কোডে অনেক অপশন থাকে । যখন হার্ডওয়্যারকে কোন কাজে লাগাতে হয় তখন সফটওয়্যার কার্নেলের মাধ্যমে তাকে নির্দেশ পাঠায়। কার্নেল সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যারের মধ্যে সংযোগ করে এবং আপনার দেয়া নির্দিষ্ট নির্দেশটি পৌঁছে দেয়। ফলে আপনি যে কোন বাটন প্রেস করে সেই সুবিধা বা বৈশিষ্ট্যটি ব্যবহার করতে পারেন। মূলত কার্নেল এক পাশ থেকে ইনপুট নিয়ে অপর পাশে সেটাকে আউটপুট হিসেবে পাঠায়। স্ক্রিনের ঔজ্জ্বল্য কেমন হবে, ভলিউম লেভেল কি হবে, ব্লুটুথ অন করা, ইন্টারনেটে গেমস খেলা এমনকি ডিসপ্লেতে এই মুহূর্তে কি চলছে সেটাও নিয়ন্ত্রিত হয় কার্নেল দ্বারা ! উদাহরণ স্বরূপ, আপনি যখন আপনার মোবাইলের সার্চ বাটনটিতে চাপ দেন, তখন মূলত সফটওয়্যারকে সার্চ অপশন খোলার জন্য নির্দেশ দেন। এভাবে কোন বাটন চাপলে কি করতে হবে সবকিছু আপনার সফটওয়্যারে লিখা থাকে, আর তাই আপনার বাটন চাপার ফলে চালু হয়ে যায় অপশনটি। আপনি যখন এই নির্দেশ দেন, তখন সফটওয়্যার থেকে সেই নির্দেশ অনুযায়ী কাজ সম্পাদনে সাহায্য করে কার্নেল। কিছু লজিক এবং কোড ব্যবহার করে এগুলো করা হয়। ভাবতে পারেন, যদি কার্নেল তথ্য এবং নির্দেশ গ্রহণ করতে এবং পাঠাতে না পারত, তাহলে একটি হার্ডওয়্যারের প্রতিটি ক্ষুদ্র অংশের জন্য আলাদা আলাদা কোড লিখতে হত! ডেভেলপারদের এখন যা করতে হয় তা হল, শুধুমাত্র অ্যানড্রয়েড যেন কার্নেলের সাথে ‘কম্যুনিকেট’ বা যোগাযোগ করতে পারে সে ব্যবস্থা করা।
অ্যানড্রয়েডে হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মাঝে 'অ্যাবসট্রাকশন' বা অদৃশ্য লেয়ার হিসেবে কাজ করে কার্নেল। কার্নেলের মাঝে বিভিন্ন রকম ড্রাইভার এবং পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট থাকে। ড্রাইভারের মধ্যে আছ ডিসপ্লে, ক্যামেরা, ফ্ল্যাশ মেমোরি , বাইন্ডার, কী প্যাড, ওয়াইফাই, অডিও ইত্যাদি। অ্যানড্রয়েড ডিভাইসে লিনাক্স ২.৬ ব্যবহার করা হয় কোর সিস্টেম সার্ভিসের জন্য; যেমন নিরাপত্তা, মেমোরি ব্যবস্থাপনা, প্রক্রিয়া ব্যবস্থাপনা, নেটওয়ার্ক স্ট্যাক, ড্রাইভার মডেল ইত্যাদি। তবে অ্যানড্রয়েড জিঞ্জারব্রেড এর জন্য যে কার্নেল ব্যবহার করা হয়, সেটি অ্যানড্রয়েড আইসক্রিম স্যান্ডউইচে কাজ করবে না অর্থাৎ ভিন্ন ভিন্ন ভার্সনের জন্য কার্নেল ভিন্ন ভিন্ন হবে।
অ্যানড্রয়েড ডিভাইসে লিনাক্স কার্নেল ব্যবহার করা হলেও অন্যান্য লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম থেকে এটি বেশ আলাদা। এখানে অ্যানড্রয়েডের জন্য অনেক কোড বিল্ট-ইন করে দেয়া আছে। গুগলের অ্যানড্রয়েড কার্নেল ব্যবস্থাপনা দল এজন্য কাজ করে যাচ্ছে। গুগল যে কাজটি করেছে তাহলো, পুরো কার্নেলটিকে মোবাইলের জন উপযোগী করে সাজিয়েছে, যেন আমরা সহজেই ওটার উপর অ্যাপ তৈরি করতে পারি। হার্ডওয়্যারের কঠিন জিনিসগুলোকে আমাদের কাছ থেকে লুকিয়ে ফেলেছে, এবং অল্প কমান্ড দিয়েই সেই হার্ডওয়্যারগুলোকে দিয়ে অনেক কাজ করিয়ে নেয়া যাচ্ছে। গুগল কিন্তু কার্নেল তৈরি করেই খালাস। সে কিন্তু কোন ড্রাইভার তৈরি করে না। যখন নতুন ডিভাইস আসে, সেটার জন্য যদি ডিভাইস ড্রাইভার লিখতে হয়, সেটা সেই প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানকেই লিখতে হয়। ফলে, সকল হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অ্যানড্রয়েডের জন্য তাদের ড্রাইভার তৈরি এবং পরীক্ষা করার পর বাজারে ছাড়ে অর্থাৎ, আপনি যদি একটি কার্নেলের জন্য ড্রাইভার লেখেন, সেটা পরের ভার্সনের কার্নেলে কাজ না করার সম্ভাবনাই বেশি। আবার নতুন করে ওখানেই লিখতে হবে। সেজন্য নতুন ডিভাইস বাজারে আসতে এবং নতুন করে কোনও অপারেটিং সিস্টেম লোড করতে অনেক সময় লেগে যায়।তবে আমাদের মতো মানুষ, কিংবা সাধারণ ডেভেলপারদেরকে কার্নেলে হাত দেবার প্রয়োজন পরে না। অবশ্য কেউ যদি সেই লেভেলে কাজ করতে চান সেটা আলাদা কথা। গুগল অসংখ্য এপিআই (API) দিয়ে দিয়েছে। সেগুলো দিয়েই আমাদের কাজ চলার কথা। ২০০৫ সালে গুগল অ্যানড্রয়েড ইনক ডট নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে অধিগ্রহণের মাধ্যমে এই ওএসের মালিক হয়ে যায়; এবং অ্যানড্রয়েডের বিভিন্ন রিলিজ দিতে থাকে। মূলত কার্নেলের ভিন্নতার জন্যই তাদের বিভিন্ন রিলিজ। এগুলোর আবার নামও দেয়া হয়েছে। এখানে উল্লেখযোগ্য রিলিজগুলোর নাম দেয়া হলো-
অ্যানড্রয়েড ২.৩ - জিঞ্জারব্যান্ড     ইউজার ইন্টারফেসকে আরো উন্নত করা হয়েছে, সফট কীবোর্ড উন্নত করা হয়েছে, গেমিং পারফরমেন্স উন্নত করা হয়েছে, ভয়েস ওভার আই.পির জন্য সিপ (SIP) যোগ করা হয়েছে, এবং নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন (NFC) যোগ করা হয়েছে।

অ্যানড্রয়েড ৩.০ - হানিকম্ব     এটা মূলত ট্যাবলেট (বড় পর্দা) সাপোর্ট দেয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এবং সাথে আরো অনেক ইউজার ইন্টারফেস দেয়া হয়েছে। সাথে রয়েছে মাল্টিকোর প্রসেসর সাপোর্ট, নিরাপত্তা ইত্যাদি। ২০১১ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে মটোরলার জুম ট্যাবলেট এই অ্যানড্রয়েড নিয়ে বাজারে আসে।

অ্যানড্রয়েড ৩.১ - হানিকম্ব     (মাইনর রিলিজ - মে, ২০১১) - বাড়তি ইনপুট ডিভাইসের সাপোর্ট দেয়া হয়েছে। তাছাড়া ক্যামেরা থেকে সরাসরি ইউএসবি পোর্টে ছবি/ভিডিও আপলোড করারও ব্যবস্থা যোগ করা হয়েছে।

অ্যানড্রয়েড ৩.২ - হানিকম্ব     (মাইনর রিলিজ - জুলাই, ২০১১) - এসডি কার্ড থেকে সরাসরি ডাটা পড়ার ক্ষমতা যোগ করা হয়েছে। হুয়াওয়ের মিডিয়াপ্যাড সর্বপ্রথম এই ভার্সনটি দিয়ে ৭ ইঞ্চি ট্যাবলেট বাজারে ছাড়ে।

অ্যানড্রয়েড ৪.০ - আইসক্রিম স্যান্ড উইচ     রিলিজ তারিখ: ১৯ অক্টোবর ২০১১। এর ভেতর হানিকম্বের সকল ফিচার দেয়া হয়েছে, এবং সাথে নতুন যুক্ত করা হয়েছে - ফেসিয়াল রিকগনিশন আনলক, নেটওয়ার্ক ডাটা ইউজেস মনিটরিং, উন্নত ফটোগ্রাফি, অফলাইন ই-মেইল সার্চিং ইত্যাদি।সফটওয়‌্যার প্রকৌশলীরা জানেন যে মাইনর রিলিজের জন্য কোন নাম পরিবর্তন করা হয় না। আর তাই হানিকম্ব এর ক্ষেত্রে গুগল শুধু সংস্করণ নাম্বার ৩.১ এবং ৩.২ ব্যবহার করেছে। ভার্সন ৪.০-এ এসে নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।
এর ভেতর আরো কোনও আপডেট পেলে, এই পেজটি আপডেট করে দিব।

26 August, 2013

the difference between a progressive tax and a regressive tax


SL and HL Formative Writing: With the use of examples, explain the difference between a progressive tax and a regressive tax. (200-300 words)
Tee difference between a progressive and a regressive tax is that a progressive tax is a direct form of taxation where the rate of taxing increases as income increases, whereas a regressive tax is an indirect tax where the rate of taxing decrecreases as income increases. A direct tax is where a proportion of a person’s income is taken, whereas an indirect tax a where a proportion of the money spent on goods is taken.
Income $Progressive Tax RatesRegressive Tax Rates
< 100001%50%
10000-5000010%30%
50000-10000030%10%
>10000050%1%
A real world example of Progressive tax is American income taxes. At the lowest level of income, in this table less than $10,000 the income tax rate is the lowest, 10%. As the income level increases, the percentage tax rate also increases until the highest income bracket of greater than $100,000, where the tax rate is 50%.
American sales taxes are an example of regressive tax. If there is a flat tax rate of 15 cents per gallon of gasoline, and a person in the lowest income bracket purchases the same amount of fuel as a person in the highest income bracket, the flat tax rate takes 50% of the poorer persons income, where as for the rich the tax only cost them 1% of their income. This is because flat monetary amount of money takes a smaller portion a higher income than that of a lower.

The Difference Between Progressive and Regressive Tax


In simple terms, progressive tax is the opposite of regressive tax. Progress tax is when the more one earns, the higher the tax rate while regressive tax, being the direct opposite, is when one earns more, the lower the tax rate. Looking at the diagram on the left, one can see how as the income moves toward the left (increase) on the progressive curve, the tax paid increases while the opposite goes for the regressive. Because of this, regressive tax tends to help the richer and progressive tax tends to benefit the poorer.
In terms of types of taxes, income taxes, taxes that are directly related to income, are progressive while sales taxes, taxes put on goods and services, are regressive. This is done in order to keep the nation’s gap constant as the richer pay more for income tax while the poorer pay more for sales tax, which would neutralize each other. The wealthy pay less for goods therefore they would pay less sales tax but they would have to fill the gap by paying more income tax.
For example, if the tax rate for a single person A making 800,000 yen (about $8000) a month is 12%, the rate for the same single person B who makes 300,000 yen (or about $3000) would be much lower. Regarding regressive tax in sales taxes, because the same 30,000 yen for groceries would be worth less to person A than to person B in terms of income, person B pays more sales taxes since the tax rate for person A would be smaller than for person B. To keep this neutralizing method, luxury goods are taxed more for the wealthy buy more luxury good than the poorer does.

20 August, 2013

gggg

Your Transaction PIN is an extra layer of security. You will be asked to enter it before completing a transaction or deleting important account information.

15 July, 2013

Sayyiduna Umar (radi Allahu anu)


ELECTION
Before he passed away, Sayyiduna Abu Bakr (radi Allahu anhu) consulted the senior Sahaba and elected Sayyiduna
Umar (radi Allahu anhu) as the second Caliph of the Muslims.

EARLY LIFE
He was the son of Khattab and is famous in Islamic history as "Al Farooq" or "One who Distinguishes between
Right and Wrong." His acceptance of Islam is also very famous.
AS A CALIPH
Sayyiduna Umar (radi Allahu anhu) was a very brave and straight-forward person. He was tough and uncompromising
in Islamic principles. He was a great and talented ruler. During his Khilaafat, vast areas of the Roman and Persian.
The Holy Quran was given to him by Sayyiduna Abu Bakr (radi Allahu anhu) for safe-keeping.

APPOINTS NEW COMMANDER
Sayyiduna Umar (radi Allahu anu) was a strong disciplinarian.
Sayyiduna Khalid bin Walid (radi Allahu anhu) happily accepted the orders of Sayyiduna Umar (radi Allahu anhu) and
then served as an ordinary soldier.
ASSASSINATION
A Persian non-Muslim, named Firoz and nicknamed "Abu Lulu," complained to Sayyiduna Umar (radi Allahu anhu)
about his master, Sayyiduna Mughirah bin Shuba (radi Allahu anhu), who imposed tax on him. Sayyiduna Umar (radi
Allahu anhu) told Firoz that the tax was reasonable. This made Firoz angry.
The next day, during the Fajr Salaah, he stabbed Sayyiduna Umar (radi Allahu anhu) 6 times in the back, severely
wounding the Caliph. Sayyiduna Umar (radi Allahu anhu) passed away 3 days later in 23 A.H. He was 63 years old. He
ruled the Islamic State for 10 years, 6 months and 4 days.
REFORMS
In a short space of 10 years, Sayyiduna Umar (radi Allahu anhu) had been well-known for his outstanding
achievements and reforms in Islam. Some of these reforms were:-
1. He established the "Baitul Maal" (People's treasury for the state and public).
2. Judicial courts of Justice were set in the country. Judges and Magistrates handled all cases.
3. Establishment of an army headquarters for the defence of the country.
4. Construction of roads and canals.
5. Schools were established. Salaries for Imams, Mu'azzins and Ustaads were organized.
6. Masjids were improved and built in Makkatul Mukarramah and Madinatul Munawwarah. This included facilities
for the Haajis.
7. Police Stations and prisons were built.
8. Establishment of the first Islamic Lunar calendar beginning from the Hijrah.
9. Proper weights and measures introduced.
10. Population census established.
11. Built orphanages and welfare homes.
12. Established proper punishment system and banned slavery.
PERSONAL LIFE
Simplicity and devotion were the main characters of Sayyiduna Umar (radi Allahu anhu). He used to wear clothes that
had many patches and yet received Governors, convoys and diplomats. He took just enough allowance from the State
to have a simple meal and wear simple clothes. At times he was very poor. He used to visit the old people and sick
and even do their house work. He used to visit the houses of the soldiers and inquire about their families. He stayed
awake at night in Salaah and often kept Fast. He always supported and upheld the cause of Islam, with his wisdom,
energy, dynamism, bravery and little wealth.

sura al-fatiha

তথ্য
শ্রেণীমক্কী সূরা
নামের অর্থশুরু
অন্য নামউম্মুল কিতাব, চাবি, উম্মুল কুরআন, সূরা আল হামদ্‌
অবতীর্ণ হওয়ার সময়হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর নবুওত প্রাপ্তির শুরুর দিকে
সূরার ক্রম১
পারা১
পরিসংখ্যান
রুকুর সংখ্যা১
আয়াতের সংখ্যা৭
বিশেষ বিষয় সম্পর্কে আয়াত সংখ্যাআল্লাহ্‌র প্রশংসা: ৩
সৃষ্টিকর্তা ও সৃষ্টির মধ্যে সম্পর্ক: ১
মানবজাতির প্রার্থনা: ৩
সিজদাহ্‌র সংখ্যানেই

07 July, 2013

সুরা ফাতিহা বঙ্গানুবাদ


سْمِ اللهِ الرَّحْمنِ الرَّحِيمِِ
পরম করুনাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু
الْحَمْدُ للّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
সমস্ত প্রসংশা একমাত্র আল্লাহ তা’য়ালার জন্য ।
الرَّحْمـنِ الرَّحِيمِ
যিনি পরম করুনাময় ও মহান দয়ালু
مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ
যিনি বিচার দিনের মালিক
إِيَّاكَ نَعْبُدُ وإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ
আমরা তোমারই এবাদত করি এবং তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি
اهدِنَـا الصِّرَاطَ المُستَقِيمَ
তুমি আমাদের সরল এ সহজ পথ দেখাও
صِرَاطَ الَّذِينَ أَنعَمتَ عَلَيهِمْ
তাদের পথ যাদের তুমি অনুগ্রহ দান করেছ ।
غَيرِ المَغضُوبِ عَلَيهِمْ وَلا الضَّالِّينَ َ
তাদের পথ নয়,(যারা) অভিশপ্ত এবং পথহারা হয়েছে।
শানে নযুল: ফাতিহা শব্দটি আরবী বাংলা পরিভাষায় এটি ভূমিকার অর্থ প্রকাশ করে । নির্ভরযোগ্য হাদীসের ভাষ্যে জানা যাঙয় যে, সর্ব প্রথম পুনাংগ সুরা হিসেবে এ সুরাই নাযিল হয়। মুলতঃ এ সুরা একটি প্রার্থনা মাত্র। কোরআনের প্রথমে এ সুরাকে স্থান দিয়ে এ শিক্ষাই দেয়া হয়েছে যে, এ গ্রন্থ হতে উপকৃত হতে হলে প্রথমে আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করতে হয় । বস্তুত এ সুরা মানুষের পক্ষ থেকে একটি প্রার্থনা বিশেষ আর পুর্নাংগ জীবন বিধান আল-কোরআন হচ্ছে আল্লাহর পক্ষ হতে এই প্রার্থনার জবাব মাত্র

05 July, 2013

রমাদান কারীমঃ সিয়াম কি এবং কেন

'সওম'-এর শাব্দিক অর্থ বিরত থাকা। ইসলামী শরীয়তে পানাহার ও সহবাস থেকে বিরত থাকার নাম 'সওম'। সওম-এর বহুবচন হচ্ছে সিয়াম, যাকে আমরা রোযা বলে থাকি। আর রোযা শব্দটি এসেছে ফার্সী থেকে, যেমন এসেছে নামাজ যার আরবী বা কুরআনে বর্ণিত শব্দ হচ্ছে সালাত। যে কেউ সোবহে সাদিকের উদয় হওয়ার পূর্ব থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সম্পূর্ণরূপে পানাহার এবং সহবাস ত্যাগ করবে তার জন্য সেদিনটি সওম পালন হিসেবে ধরা হবে কি হবে না, তা নির্ভর করছে নিয়তের উপর। যদি ব্যক্তি সওমের নিয়ত করে এসব ত্যাগ করে থাকে, তাহলে দিনটি তার জন্য সওম পালন হিসেবে নির্ধারিত হবে আর নিয়ত না করে এমনি এমনি এসব ত্যাগ করলে তাতে সওমের সওয়াব পাওয়া যাবে না। কারণ, ইসলামে নিয়তের উপরই সমস্ত ভাল কাজের প্রতিদান নির্ভরশীল। যেমনটি প্রিয় রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ((সব কাজই নিয়ত (সংকল্প) অনুযায়ী হয়।.....)) [সহীহ আল-বুখারীঃ ১]

সওম বা রোযা ইসলামের পাঁচটি মৌলিক স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম একটি। আব্দুল্লাহ ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু 'আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ((ইসলাম পাঁচটি ভিত্তির উপর স্থাপিত- এ সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ্ ব্যতীত সত্যিকারের কোন মা'বুদ নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল, সালাত প্রতিষ্ঠিত করা, যাকাত আদায় করা, হজ্জ করা এবং রমাদানের সওম পালন করা।)) [বুখারী ও মুসলিম] স্তম্ভের অভাব কিংবা নড়বড়ে অবস্থার প্রেক্ষিতে যেমন ঘর টিকে থাকে না, তেমনি আমাদের দ্বীনের এ মৌলিক স্তম্ভটিকেও যদি আমরা যথার্থ ভাবে মজবুত করে ধারন করতে না পারি কিংবা অবহেলা-অবজ্ঞায় অথবা শয়তানের প্ররোচনায় যদি সিয়াম পালনে বিরত থাকি, তাহলে নিশ্চিতভাবেই ধ্বসে পড়বে আমাদের ইসলাম নামক প্রাসাদ। অর্থাৎ, এই পবিত্র রমাদানের সিয়াম পালনে কেউ অবহেলা করলে কিংবা পালন না করলে ইসলাম নামক প্রাসাদে আর তার জন্য কোন স্থান রইলো না; এবং তা অবশ্যই কোন শরীয়ত সম্মত ওযর বা কারণ ব্যতিরেকে কেবলি ইচ্ছাকৃতভাবে ত্যাগ করলেই এই করুণ পরিণতি।

দীর্ঘ একটি বছর পর আমাদের মাঝে ফিরে আসে রমাদান, মহান স্রষ্টা আল্লাহ্র রাশি রাশি করুণার ধারা বর্ষণ হয় এই মাসে। সারা মুসলিম বিশ্বে সাড়া পড়ে যায় ইবাদাতের, মুমিনদের জন্য যেন পুরো রমাদান মাসটাই ঈদের মাস, অর্জনের মাস, আনন্দের মাস। কত অফুরন্ত দান আমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে আমাদের জন্য। আসুন, আমরা এ মাসেই সারা বছরের সঞ্চয় সাধনে সচেষ্ট হই।

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ