01 September, 2009

এই পাঁচটি পন্থা কাজে প্রয়োগ করুন।

জীবনে সফলতা অর্জন একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। এর জন্য প্রথমেই সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকা অতি আবশ্যক। না থাকলে আজই তৈরী করুন এবং নিম্নোক্ত নির্দেশনা গুলো অভ্যাস করুন। সুফল অবশ্যই পাবেন।

এই পাঁচটি পন্থা কাজে প্রয়োগ করুন।

১. কাজে ভয় দূর হয়। ভয় দূর করে গঠনমূলক কাজ করুন। নিষ্ক্রিয়তা- কিছুই না করা-ভয় বাড়ায়, আত্মবিশ্বাস ও মনোবল কম করে দেয়।

২. মনের ব্যাঙ্কে শুধুই গঠন মূলক চিন্তা সংগ্রহ করার ব্যাপারে সচেষ্ট থাকবেন। নিরাশাবর্ধক, হীনমন্যতা সৃষ্টি করে এমন চিন্তা-ভাবনাকে মনের দানব হয়ে ওঠার সুযোগ দেবেন না। নিজেকে অপ্রিয় ঘটনা বা পরিস্থিতির বিষয়ে চিন্তা করার অবকাশ দেবেন না।

৩. মানুষকে সঠিকভাবে চিনতে শিখুন। মনে রাখবেন, মানুষ মানুষে যত পার্থক্য তার চেয়ে সাদৃশ্য বেশী। অন্যের ব্যাপারে সঠিক ভাবনা, নায্য চিন্তা করবেন। সেও তো মানুষ! অন্যজনকে বোঝার চেষ্টা করুন। অনেকেই হয়ত চিৎকার করে তবে তেমন ক্ষতি করেন না।

৪. বিবেকের কথা শুনুন। এতে মনে বিষাক্ত অপরাধবোধ জাগবে না। সঠিক কাজ সাফল্যের একটি প্রধান অজ্ঞ।

৫. “আমার মধ্যে আত্মবিশ্বাস আছে, প্রচুর আত্মবিশ্বাস” আপনার সবেতেই যেন এই উক্তির প্রতিফলন হয়।

দৈনন্দিন জীবনে এই ছোট ছোট নির্দেশ গুলো মেনে চলুন। (বিশেষ করে ছাত্রদের জন্য)

ক) সামনের সারিতে বসুন। (ফলে আপনার মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি হবে।)

খ) চোখে চোখ রেখে কথা বলুন। (ফলে আপনার দৃঢ়তা এবং আত্মবিশ্বাস প্রমান করে।)

গ) হাঁটার গতি ২৫ শতাংশ দ্রুততর করে নিন। (ফলে আপনার সময়ের সাশ্রয় হবে।)

ঘ) আলোচনা ও কথাবার্তায় অংশ নিন। (ফলে আপনার লজ্জা কাটবে এবং আপনি বিচক্ষণ হয়ে উঠবেন।)

ঙ) প্রাণ ভরে হাসুন। (ফলে আপনার মন ভালো থাকবে এবং আপনি তারুণ্য ফিবে পাবেন।)

হিজরী ৬৯ সনের মসজিদ

আমরা সকলে জানি,বাংলাদেশে ইসলাম প্রচার শুরু হয় ইখতিয়ার উদ্দীন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজীর বাংলায় আগমনের সময় থেকে। কিন্তু এই ইতিহাস বদলে যেতে পারে লালমনিরহাট জেলার বড়বাড়ী নামক এলাকার হারানো মসজিদের প্রকৃত ইতিহাসের কারনে। এই মসজিদের প্রত্নতাত্বিক নিদর্শনাবলী প্রমান করে,এই বাংলায় হিজরী ৬৯ সন কিংবা এর পূর্বেও ইসলাম ধর্মের প্রচার চলছিল।
এই মসজিদটি আবিস্কার করা হয় মাটির নিচ থেকে। সে সময় অনেকে ভেবেছিলেন এটি হয়ত কোনো মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ।এ সময় অনেকে এর ইট ও অন্যান্য নিদর্শনাবলী লুট করে নিয়ে যায়। ওই সময় জনৈক ব্যাক্তি একটি ইটের উপর কিছু আরবি হরফ দেখতে পান। সেখানে কিছু ইসলামিক বাক্য এবং হিজরী সন ৬৯ লেখা ছিল। তখন থেকে বোঝা যায় এটি মন্দির নয় মসজিদ। এর পর খননে ঐ আমলের আরো কিছু ইসলামিক নিদর্শনাবলী পাওয়া গেছে। ফলে প্রমানিত হয়, হিজরী ৬৯ সনেও এদেশে ইসলামের প্রচার চলমান ছিল। অর্থাৎ সাহাবায়ে কেরাম(রাঃ) গনের পবিত্র পদচারনায় ধন্য হয়েছিল এদেশের মাটি।যাহোক আমি যখন এই মসজিদ দেখতে গিয়েছিলাম তখন কিছু ছবি তুলে ছিলাম। ভাবলাম আপনাদের হয়ত কাজে লাগবে।

http://forum.projanmo.com/uploads/2009/01/1900_Image004.jpg
এখানে হিজরী ৬৯ সনের কথা লেখা রয়েছে।মুল ফলকের ছবি থেকে ছবিটি তোলা হয়েছে।
http://forum.projanmo.com/uploads/2009/01/1900_Image005.jpgউপরের ফলকের পাশেই এই ফুলের নকশা টি আছে।
http://forum.projanmo.com/uploads/2009/01/1900_Image001.jpg
এখানে ছিল মসজিদের দেয়াল
http://forum.projanmo.com/uploads/2009/01/1900_Image000.jpg
মসজিদের ইট সমুহ
http://forum.projanmo.com/uploads/2009/01/1900_Image003.jpg
মসজিদ সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠের দেয়াল।
http://forum.projanmo.com/uploads/2009/01/1900_Image002.jpg
মসজিদের মিম্বর
http://forum.projanmo.com/uploads/2009/01/1900_k_(1).jpg
পথ নিদের্শক সাইনবোর্ড

30 July, 2009

আমি আসলে ভাল ছবি তুলতে পারিনা। তারপরও কাঁচাহাতে তোলা ছবিগুলো শেয়ার করছি।
০১

http://www.postimage.org/Pq131LUA.jpg
০২
http://www.postimage.org/Pq132yNr.jpg
০৩


http://www.postimage.org/Pq133X5r.jpg
০৪


http://www.postimage.org/Pq134v0r.jpg
০৫

http://www.postimage.org/gxtGfK9.jpg

কাজী নজরুল ইসলাম

কাজী নজরুল ইসলাম
পূর্ণ নাম কাজী নজরুল ইসলাম
জন্ম মে ২৫, ১৮৯৯
মৃত্যু আগস্ট ২৯, ১৯৭৬
দার্শনিক ধারা বাঙালি পুনর্জাগরণ
প্রধান উৎসাহ কবিতা, সঙ্গীত, রাজনীতি, সমাজ
প্রভাবিত করেছেন
ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলন; ভারতের সংস্কৃতি; বাংলাদেশের সংস্কৃতি; বৈশ্বিক নাগরিকত্ব কাজী নজরুল ইসলাম (মে ২৫, ১৮৯৯ — আগস্ট ২৯, ১৯৭৬), বাঙালি কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, দার্শনিক, যিনি বাংলা কাব্যে অগ্রগামী ভূমিকার জন্য সর্বাধিক পরিচিত। বাংলা ভাষার অন্যতম সাহিত্যিক, দেশপ্রেমী এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি।

24 July, 2009

ঘুমাও

ঘুমানোর সময় ব্রেইন গ্রোথ হরমোন ছাড়ে যা তোমার বেড়ে ওঠা ও মনোযোগের জন্য বেশ দরকার। বিশেষজ্ঞের মতে প্রতিদিন ৮ থেকে সাড়ে ৮ ঘন্টা ঘুমানো উচিৎ। এক রাতের পূর্ণ ঘুম তোমার স্মরণশক্তিকে বাড়িয়ে তুলতে পারে বহুগুণে। কিন্তু দিনের অল্প সময়ের ঘুমও তোমার মনোযোগ বাড়াতে পারে। তুমি কি জানো; লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি, এ্যালবার্ট আইনস্টাইন এবং বিখ্যাত আরো অনেকে ঘুম কাতুরে ছিলেন?

07 July, 2009

তারামন বিবি




তারামন বিবি ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন মহিলা মুক্তিযুদ্ধা। ১৯৭৩ সালে তৎকালীন সরকার মুক্তিযুদ্ধে তারামন বিবিকে তার সাহসীকতা ও বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য “বীর প্রতীক” উপাধিতে ভূষিত করেন।

৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ

তারামন বিবি ১১ নং সেক্টরে নিজ গ্রাম কুড়িগ্রাম জেলার শংকর মাধবপুরে ছিলেন। তখন ১১ নং সেক্টরের নেতৃত্বে ছিলেন সেক্টর কমান্ডার আবু তাহের। তিনি ‘বীর উত্তম’ প্রতীক প্রাপ্ত।

মুহিব হাবিলদার নামে এক মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবিকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার জন্য উৎসাহিত করেন। যিনি তারামনের গ্রামের পাশের একটি ক্যাম্পের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি তারামনকে ক্যাম্পে রান্নাবান্নার জন্য নিয়ে আসেন। তখন তারামনের বয়স ছিলো মাত্র ১৩ কিংবা ১৪ বছর। কিন্তু পরবর্তিতে তারামনের সাহস ও শক্তির পরিচয় পেয়ে মুহিব হাবিলদার তাঁকে অস্ত্র চালনা শেখান।

একদিন দুপুরের খাবার খাওয়ার সময় তারামন ও তার সহযোদ্ধারা জানতে পারলেন পাকবাহিনীর একটি গানবোট তাদের দিকে আসছে। তারামন তার সহযোদ্ধাদের সাথে যুদ্ধে অংশ নেন এবং তারা শত্রুদের পরাস্ত করতে সক্ষম হন। এরপর তারামন অনেক যুদ্ধে পুরুষ মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে অংশ নেন। অনেক বার তাদের ক্যাম্প পাকবাহিনী আক্রমন করেছে,তবে ভাগ্যের জোরে তিনি প্রতিবার বেঁচে যান।

লালমনিরহাট জেলা

প্রশাসনিক বিভাগ রাজশাহী
আয়তন (বর্গ কিমি) ১,২৪১
জনসংখ্যা মোট : ১০,৮৮,৯১৮
পুরুষ:৫০.৫৭%
মহিলা: ৪৯.৪৩%
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: বিশ্ববিদ্যালয়: ০
কলেজ : ২১
মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ১০১
মাদ্রাসা : ৭৫
শিক্ষার হার ২৩.৮ %
বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব শেখ ফজলুল করিম
প্রধান শস্য ধান, তামাক, আখ
রপ্তানী পণ্য তামাক, আলু, ভুট্টা

** flashchat / voice_chat **

http://www.ekusheradda.com/chat/

http://www.desherkontho.com/flashchat/

http://www.amaderonirban.com/flashchat/

http://www.jonotaradda.com/flashchat/
''_____________________________________''

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ