01 June, 2012

চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্রে ভাঙ্গন\ হুমকির মুখে ডান তীর প্রতিরক্ষা প্রকল্প

কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা : জেলার চিলমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বাড়তে শুরু করেছে। সেই সঙ্গে দেখা দিয়েছে নদীভাঙ্গন। গত ১ সপ্তাহে নদী ভাঙ্গনের শিকার হয়েছে ২০টি পরিবার। নদী ভাঙ্গনের তীব্রতার কারণে হুমকির মুখে পড়েছে চিলমারী প্রতিরক্ষা প্রকল্পসহ রমনা নৌঘাট, ব্যাংকমারা ও রাজারভিটা এলাকা। সর্বশেষ গত বছরের বন্যার সময় ভাঙ্গনের হাত থেকে টিকে যাওয়া রমনা নদীঘাট, ব্যাঙ্গমারা ও রাজারভিটা এলাকার শেষাংশ বর্তমানে আবার নদীভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। উপজেলা সদর থেকে মাত্র ২ কিলোমিটার দূরে গুড়াতিপাড়া ও ব্যাংকমারা এলাকায় নদীভাঙ্গন তীব্রতর হয়েছে। গত ১ সপ্তাহে ২০টি বাড়িসহ ভেঙ্গে নিয়েছে আবাদি জমি, বসতভিটা ও রাস্তাঘাট। গুড়াতিপাড়া এলাকার বক্কর আলী (৫০) ও আব্দুর রহিম (৪৫) জানান, তারা অনেক কষ্টে জমিতে ধান লাগিয়ে ছিল। কিন্তু শেষ মহূর্তে নদীভাঙ্গনের শিকার হয়ে ধান ঘরে তুলতে পারেনি। পাশাপাশি জমি ভেঙ্গে নিয়েছে নদী। রমনা ঘাট এলাকার মো. আহেদ আলী (৫৫) জানান, নদীতে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। মাত্র সাত দিনে অর্ধশত বিঘা ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। উক্ত এলাকার ইউপি সদস্য নজির হোসেন বলেন, এখনই প্রতিরোধের ব্যবস্থা না নিলে হুমকির মুখে পড়বে প্রতিরক্ষা প্রকল্প। সরেজমিনে ভাঙ্গনকবলিত এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নদের ডান তীর রক্ষা প্রকল্পের দক্ষিণ দিক দিয়ে নদী কিছুটা ভেতরের দিকে ঢুকে পড়ায় সরকারের ১১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ডান তীর রক্ষা প্রকল্পটি বর্তমানে হুমকির মুখে রয়েছে। এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবু তাহের জানান, চিলমারী উপজেলাকে রক্ষায় দ্বিতীয় ফেজ কাজ করার জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট চাহিদা প্রেরণ করা হয়েছে। অনুমোদন ও বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু করা হবে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, নদীভাঙ্গনের করাল গ্রাস থেকে রক্ষার জন্য ইতোমধ্যে ব্যায় করা ১১৬ কোটি টাকার মধ্যে প্রচুর অর্থ লোপাট করা হয়েছে। এতে সঠিকভাবে কাজ না হওয়ায় আবারো নতুন করে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্তভাবে নদী শাসনের কাজ করা হলে সে স্থানে আর ভাঙ্গন ধরার কথা নয় বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন ওই এলাকার সচেতন জনগণ। তারা আরো অভিযোগ করেছেন, বর্তমান সরকারের দলীয় ঠিকাদারদের মাধ্যমে নদীভাঙ্গন রক্ষার কাজ করায় এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের কতিপয় দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তা দিয়ে ওই কাজ দেখভাল করার কারণে কোন কাজ জনগণের উপকারে আসছে না। অন্যদিকে লোপাট হয়ে যাচ্ছে সরকারি অর্থ। এসব থেকে রক্ষা পেতে প্রয়োজন দলীয় প্রভাব মুক্ত ঠিকাদার নিয়োগ এবং সৎ কর্মকর্তা দিয়ে তা তদারকি করা। অন্যথায় আজীবন নদী শাসনের জন্য যত টাকা ব্যয় করা হউক না কেন তা জনগণের কোন উপকারে আসবে না।

কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা

ঢাকা, ১ জুন (বাসস) : আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগ তৃণমূল নেতা-কর্মীদের এক মতবিনিময় সভা আগামীকাল দুপুর ১২টায় গণভবনে অনুষ্ঠিত হবে। আওয়ামী লীগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়। সভায় আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী সংসদের সকল কর্মকর্তা, সদস্য এবং কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী সংসদের কর্মকর্তা ও সদস্য, উপদেষ্টা পরিষদ, জাতীয় কমিটির সদস্য, দলের সংসদ সদস্যবৃন্দ, জেলা পরিষদের প্রশাসক, সকল উপজেলা, থানা, পৌর ও ইউনিয়ন শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, দল সমর্থিত উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের জেলা ও উপজেলা শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত থাকবেন। দলের সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাসময়ে উক্ত সভায় উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

10 August, 2011

মাহে রমজান

আজ ১০ রমজান। আজ মাহে রমজানের রহমত ভাগের শেষদিন। ৬২০ খৃষ্টাব্দের ১০ রমজান উম্মুল মুমিনীন হযরত খাদীজাতুল কুব্রা রাদিআলস্নাহু তা’আলা আন্হা মক্কা নগরে নিজ বাসগৃহে মাত্র ৬৫ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। ৫৯৫ খৃষ্টাব্দে ৪০ বছর বয়সে ২৫ বছরের যুবক হযরত মুহম্মদ সালস্নালস্নাহু ‘আলায়হি ওয়া সালস্নামের সঙ্গে তাঁর শাদী মুবারক সম্পন্ন হয়। হযরত খাদীজাতুল কুবরা রাদিআলস্নাহু তা’আলা আন্হা সেকালের শ্রেষ্ঠ আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী ছিলেন। জানা যায়, তাঁর বাণিজ্যিক কারবার সুদূর চীন পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো। তিনি অত্যন্ত ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি আল আমীন এবং আস সাদিক অর্থাৎ বিশ্বস্ত ও সত্যবাদী হিসেবে খ্যাত হযরত মুহম্মদ সালস্নালস্নাহু ‘আলায়হি ওয়া সালস্নামকে তাঁর কারবারে লাগালেন। তাঁর বিশাল বাণিজ্য কাফেলা নিয়ে প্রিয় নবী সালস্নালস্নাহু ‘আলায়হি ওয়া সালস্নাম সিরিয়া, বসরা প্রভৃতি বড় বড় বাণিজ্য কেন্দ্রে গমন করেন এবং প্রচুর মুনাফা করে ফিরে আসেন।
বাণিজ্য হতে ফিরে আসার প্রায় তিন মাস পর হযরত খাদীজা রাদিআলস্নাহু তা’আলা আন্হা হযরত মুহম্মদ সালস্নালস্নাহু ‘আলায়হি ওয়া সালস্নামের সংগে শাদী প্রস্তাব পাঠালেন। এই প্রস্তাবে আবু তালিব সম্মতি দিলেন। শাদীর দিন ধার্য হলে নির্ধারিত দিনে হযরত মুহম্মদ সালস্নালস্নাহু আলায়হি ওয়া সালস্নামের সঙ্গে বরযাত্রী হিসেবে হযরত খাদীজা রাদিআলস্নাহু তা’আলা আন্হার গৃহে গমন করলেন চাচা আবু তালিব, চাচা হযরত হামযা রাদিআলস্নাহু তা’আলা আন্হু এবং হাশেমী গোত্রের সকল নেতৃবৃন্দ। এই শাদী মজলিসে খুত্বা পাঠ করলেন আবু তালিব। খুতবায় আবু তালিব ভাতিজা হযরত মুহম্মদ সালস্নালস্নাহু ‘আলায়হি ওয়া সালস্নাম সম্পর্কে বলেন: তাঁর মতো উত্তম আখলাকের যুবক মক্কায় আর নেই, যদিও তিনি সম্পদশালী নন, ধন-সম্পদ তো অস্থায়ী বস্তু। তাঁর কাছে এমন স্থায়ী সম্পদ হচ্ছে যার তুলনা হয় না, আর সেই সম্পদ হলো তিনি আল-আমিন, আসসাদিক।
হযরত খাদীজা রাদিআলস্নাহু তা’আলা আনহার গুণাবলী তুলে ধরেন ওরাকা বিন্ নওফেল। এই শাদীতে মোহর ছিলো পাঁচ দিরহাম।
হযরত খাদীজাতুল্ কুবরা রাদিআলস্নাহু তা’আলা আন্হা সর্বজন শ্রদ্ধেয়া মহিলা ছিলেন। তাঁর পবিত্র ও অনুপম চরিত্রের জন্য মক্কাবাসী তাঁকে তাহিরা উপাধিতে ভূষিত করে। ৬১০ খৃষ্ঠাব্দের রমাদান মাসের শেষ ভাগের কোনো এক বেজোড় রাতে অধিকাংশের মতে ২৭ রমাদান রাতে হিরা গুহায় প্রথম ওহী প্রাপ্ত হয়ে প্রিয় নবী সালস্নালস্নাহু আলায়হি ওয়া সালস্নাম কাঁপতে কাঁপতে নিজ গৃহে এসে হযরত খাদীজা (রাদি.) কে বললেন: আমাকে কম্বল দিয়ে ঢেকে দাও। স্বামীর এত্ত হালত দেখে তিনি তাঁকে কম্বল দিয়ে ঢেকে দিলেন। প্রিয় নবী সালস্নালস্নাহু ‘আলায়হি ওয়া সালস্নাম তখন হযরত খাদীজা (রাদি.)-কে বললেন: আমার দারুন ভয় হচ্ছে, আমি হয়তো শেষ হয়ে যাবো। এই বলে তিনি হেরা গুহায় যা ঘটেছে তার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরলেন। হযরত খাদীজা রাদিআলস্নাহু তা’আলা আন্হা স্বামীকে সান্ত¡না দিয়ে বললেন: আলস্নাহ্র কসম। তিনি আপনাকে অপদস্থ করবেন না, আপনি আত্মীয়তার বন্ধন সুদৃঢ় করেন, অসহায় ও দরিদ্রদেরকে সাহায্য করেন, মেহমানদের সেবা যতœ করেন, দুর্যোগগ্রস্তদের সাহায্য করেন।
হযরত খাদীজা রাদিআলস্নাহু তা’আলা আন্হা সর্ব প্রথম ঈমান আনেন এবং ইসলামের খিদমতে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন। এই মহিয়সী নারীর গর্ভে তিন পুত্র ও চার কন্যা জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর সর্ব কনিষ্ঠ কন্যা হযরত ফাতিমা রাদিআলস্নাহু তা’আলা আন্হা জান্নাতের নারীগণের নেত্রী।
হযরত খাদীজা (রাদি.) ইন্তিকাল করলে তাঁকে কবরে নামান প্রিয়নবী (সা.)। বর্তমান লেখক তার স্ত্রীকে সাথে করে মক্কার জান্নাতুল মু’আলস্নাতে হযরত খাদীজা (রাদি.) ও তাঁর পুত্রদের মাযার শরীফ যিয়ারত করেছেন।

09 August, 2010

রমজান মাসের ফজিলত


হে মোমিনগণ! তোমাদের উপর সিয়াম ফরজ করা হয়েছে, যেমনি ফরজ করা হয়েছে তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর-যাতে তোমরা মুত্তাকি হতে পার।
* সূরা বাকারা : ১৮৩ *
যখন রমজান মাসের আগমন ঘটে তখন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেয়া হয় এবং শয়তানদের আবদ্ধ করা হয়। অন্য বর্ণনায় বলা হয়েছে-শয়তানের শিকল পড়ানো হয়। (মুসলিম)
তাই শয়তান রমজানের পূর্বে যে সকল স্থানে অবাধে বিচরণ করত রমজান মাস আসার ফলে সে সকল স্থানে যেতে পারে না। শয়তানের তৎপরতা দুর্বল হয়ে যায়। ফলে দেখা যায় ব্যাপকভাবে মানুষ তওবা, ধর্মপরায়ণতা, ও সৎকর্মের দিকে অগ্রসর হয় ও পাপাচার থেকে দূরে থাকে। তারপরও কিছু মানুষ অসৎ ও অন্যায় কাজ-কর্মে তৎপর থাকে। কারণ, শয়তানের কু-প্রভাবে তারা অনেক বেশি প্রভাবিত হয়ে পড়েছে।

Map of Kurigram







আমাদের কুড়িগ্রাম

সরস, সবুজ ও সুফলা আমাদের এই বাংলাদেশের একটি জেলার নাম কুড়িগ্রাম, পশ্টিম বঙ্গের কোঁচবিহার ও আসামের মানিকারচর সংলগ্ন এই আমাদের জেলা বাংলাদেশের উত্তরকোণে অবস্থিত, তাই কুড়িগ্রাম বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় জেলাগুলিরই অন্যতম, বক্ষ্রপুত্র, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমরের মত প্রবাহশীল নদীবিদৌতে এক বিস্তৃত ভূখন্ডজুড়ে এই জেলার অস্তিত্ব ও প্রাণ, কুড়িগ্রাম সদরসহ মোট ৯ (নয়) টি থানা বা উপজেলা

15 May, 2010

কুড়িগ্রাম আওয়ামলীগকে সহযোগিতা করবে জেলা বিএনপি

`যদি স্থানীয় আওয়ামী লীগ গনতান্ত্রিক পন্থায় কুিড়গ্রামের উন্নয়ন চায তবে জেলা বিএনপি সহযোগিতা করবে’ কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপি’র নবগঠিত কমিটির পরিচিতি অনুষ্ঠান ও প্রথম সভা শেষ বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলন এসব কথা বেলন িবএনপি নেতারা।
শনিবার সকাল ১১টায় জেলা বিএনপি’র দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় নব গঠিত ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির পরিচয় করিয়ে দেন জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রানা।
জেলা বিএনপি’র সভাপতি তাসভিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতা ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল খালেক, জেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি-পৌর মেয়র আবু বকর সিদ্দিক, সহ-সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান, অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু, লুৎফর রহমান, সহ-সম্পাদক হোসনাইন কায়কোবাদ সোহেল, বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক অধ্য হাসিবুর রহমান হাসিব, বিএনএপি নেতা মোঃ আব্দুল আজিজ, মোঃ জহুরুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক-মোঃ আশরাফুল হক রুবেলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এ সময় নব গঠিত কমিটির সকলকে বক্তারা বর্তমান রাজনৈতিক প্রোপটে সরকার বিরোধী আন্দোলনে শরিক হওয়ার ঐক্যবদ্ধ ভাবে আহবান জানান। আমরা সরকারের ভাল কাজের প্রশংসা করব এবং খারাপ কাজের গণতান্ত্রীক উপায়ে মোকাবেলা করব। এছাড়াও নেতারা বলেন, আগামী ৫ই মে রাজশাহীতে বিএনপি’র বিভাগীয় সমাবেশে যোগদানের ব্যাপারে আমাদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ ও ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতেই শুরু সীমাবদ্ধ নয়। এদেশে বহু দলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, স্বাধীনতা ও সার্ভভৌমত্ব রা এবং বর্তমান বিশ্বের কাছে তাল মিলিয়ে অর্থনৈতিক ভাবে বাংলাদেশকে উদীয়মান টাইগার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য বিএনপি কাজ করে আসছে বলে বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ বলেন। গতকাল অনুষ্ঠিতব্য অনুষ্ঠিত ভোলার ৩ নির্বাচনী এলাকায় ৪১টি কেন্দ্রে বিএনপি’র নেতাকর্মীদেরকে ঢুকতে না দেওয়ার খবরে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। নব-নির্বাচিত সভাপতি তাসভিরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল একটি দুঃসময় অতিক্রম করছে- কুড়িগ্রাম ও কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপি, বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন কোন অংশ নয়। বর্তমান জেলা বিএনপি একটি ভিন্নতর মেজাজ নিয়ে কুড়িগ্রাম জেলার সার্বিক কল্যানে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ঘোষণা করছে। সংবাদ সম্মেলনে প্রিন্ট ও ইলেকট্টোনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
(কুড়িগ্রাম নিউজ ডট কম: ২৪ এপ্রিল:)

11 March, 2010

প্রধানমন্ত্রী কুড়িগ্রামে ন্যাশনাল সার্ভিসের উদ্বোধন করল ন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাল শনিবার কুড়িগ্রামে বেকার যুবক ও যুব মহিলাদের কর্মসংস্থানের জন্য ‘ন্যাশনাল সার্ভিস পাইলট প্রকল্প’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে তৃণমূল পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার এ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
ন্যাশনাল সার্ভিস পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে কুড়িগ্রাম ও বরগুনা জেলায় ১৩ হাজার ৫৫০ জন শিক্ষিত বেকার দুই বছরের জন্য অস্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে। গোপালগঞ্জেও এ কর্মসূচি সম্প্রসারণের জন্য প্রাথমিক কার্যক্রম চলছে।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর বার্তা সংস্থা বাসসকে আজ শুক্রবার জানায়, ন্যাশনাল সার্ভিসে কুড়িগ্রামের নয়টি উপজেলায় ৩২ হাজার ৫৫৪ জন এসএসসি ও তদূর্ধ্ব পাস বেকার যুবক-যুবতীর মধ্য থেকে প্রাথমিকভাবে নয় হাজার ৯৫০ জনকে নির্বাচন করা হয়েছে। নির্বাচিতদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য জেলার ৩১টি ভেন্যুতে ২৯২ জন মাস্টার ট্রেইনারকে ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। একইভাবে বরগুনা জেলার পাঁচটি উপজেলা থেকে ১৩ হাজার ৯৪ জন বেকারের মধ্যে প্রাথমিকভাবে তিন হাজার ৬০০ জনকে নির্বাচন করা হয়েছে। সেখানে ১৮টি ভেন্যুতে ১৩৮ জন মাস্টার ট্রেইনারের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে।
এ কাজে সম্পৃক্তরা প্রশিক্ষণকালীন দৈনিক ১০০ টাকা এবং কর্মকালীন দৈনিক ২০০ টাকা হারে ভাতা পাবেন। সূত্র আরও জানায়, প্রাথমিকভাবে প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য একটি নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী প্রকৃত বেকারদের মধ্যে যাদের চাকরির বয়সসীমা শেষ হয়ে যাচ্ছে, বেশি দিন ধরে বেকার আছেন, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও দুস্থদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
যারা প্রাথমিক তালিকায় বাদ পড়বে, তারাও পরবর্তীকালে পর্যায়ক্রমে এ কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন বলে কর্মকর্তারা জানান।
কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. আসাদুজ্জামান জানান, প্রধানমন্ত্রী কাল কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে সুধীজন, সুবিধাভোগী ও জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।
কুড়িগ্রাম-২ আসনের সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাফর আলী জানান, বর্তমান সরকারের যুগান্তকারী এ কর্মসূচি অনগ্রসর কুড়িগ্রাম থেকে শুরু হচ্ছে। এ জন্য কুড়িগ্রামবাসী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবে এবং তাঁর নেতৃত্বে উন্নত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে তাঁর হাতকে আরও শক্তিশালী করবে

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ