15 December, 2012

সেতুর অভাবে ছয় হাজার মানুষকে ঝুকিপূর্ণভাবে পারাপার

একটি সেতুর অভাবে সারা বছর হাটবাজার নিত্যদিনের কাজ সহ শিড়্গার্থীদের প্রতিনিয়ত পারাপার করতে হচ্ছে ঝুকিপূর্ণভাবে। গ্রাম্য দানদড়্গিনায় নীর্মিত হয় চলাচলের জন্য দুটি বাশের নাম মাত্র সাকো। বর্ষা মৌসুমে কাজ হয়না এধরনের সাকোয় তাই পারাপারের মাধ্যম হয় ভেলা। এতে নিদারম্নন কষ্টে পরতে হয় বিদ্যালয়গামী শিড়্গার্থীদের। কুড়িগ্রাম জেলার কচাকাটা থানার কেদার ও বলদিয়া ইউনিয়নের চর বিঞ্চুপুড় ও চর সতিপুড়ি গ্রামের প্রায় ছয় হাজার লোকের বসবাস। বাসিন্দারা বছরের পর বছর এভাবেই কষ্টে যাতায়াত করে থাকে। এ চর বাসিন্দারা চার দিক থেকে দুধকুমর নদী দ্বারা বেষ্টিত কোন দিকেই বেরম্ননের সড়ক পথ নেই। এক মাত্র নিকটতম স্থলভাগ হচ্ছে কেদার ইউনিয়নের সুবল পাড় বাজার রোড। চরে কোন প্রকার বিদ্যালয় নেই তাই চরের শিড়্গার্থীদের নদী পার হয়ে সুবলপাড় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সুবলপাড় উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়তে হয় । এহেন যোগাযোগ বিছিন্ন হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে বিদ্যালয় বন্ধ করে দিতে হয় শিড়্গার্থীদের। অন্যদিকে জরম্নরী চিকিৎসা সেবা পাওয়াও দুস্কর হয়ে উঠেছে এ চরের বাসিন্দাদের। কৃষি নির্ভর এ চরটির কৃষি পন্য ন্যায্য মূল্যও পায়না কৃষকেরা একমাত্র যোগাযোগ বিছিন্ন হওয়ায়। চরবাসী সরকারের আসুদৃষ্টি কামনা করে একটি সেতু নীর্মানের।

21 November, 2012

কুড়িগ্রামে আইনজীবিদের বিক্ষোভ সমাবেশ

আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদের গাড়ি বহরে  জামাত শিবিরে হামলার প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কুড়িগ্রাম জেলা আইনজীবি সম্বনয় পরিষদের উদ্যোগে বুধবার সকালে আদালত চত্বরে সমাবেশে  জেলা আইনজীবি সমিতির  সভাপতি এডভোকেট আব্দুল খালেক চাঁদ, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্রাহাম লিংকন, এডভোকেট আমজাদ হোসেন, এডভোকেট সুজিৎ কুমার, এডভোকেট সহিদুল ইসলাম সাজু, এডভোকেট আলতাফ হোসেন প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

06 October, 2012

ভুরুঙ্গামারী কৃষক ফেডারেশনের সভাপতিকে গলা কেটে হত্যা

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে উপজেলা কৃষক ফেডারেশনের সভাপতিকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুবৃত্তরা।
শনিবার সকালে প্রকাশ্যে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিহতের নাম আব্দুল করিম (৬৫)। তার বাড়ি জয়মনির হাট ইউনিয়নের ছোটখাটামারী গ্রামে। দীর্ঘ দিন থেকে তিনি জয়মনিরহাট পরিত্যক্ত রেলপথের উপর ভুমিহীন বাসিন্দাদের পুর্নবাসনে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।
জানা গেছে, গত ২বছর আগে বেলদহ গ্রামের জনৈক শামসুল আলমের সাথে রেলের পরিত্যক্ত সম্পতি নিয়ে ভুমিহীনদের মধ্যে মামলা হয়। ঐ মামলায় শামসুল আলম ৯জন ভুমিহীনকে আসামী করে।  রোববার (৭/১০/১২) আদালতে ঐ মামলার তারিখ ছিলো।
এরই প্রেক্ষিতে শনিবার সকালে আব্দুল করিমের নেতৃত্বে মামলাটি আপোষ করার জন্য বেলদহ চারমাথা মোড়ে সকাল ৯টায় ভুমিহীনদের মধ্যে বৈঠক বসে।
বৈঠকে ভুমিহীন সদস্য বেলদহ গ্রামের আব্দুর রহিমের (৫৫) দখলী রেলের ৮শতক জলাশয় বাদী শামসুল আলমকে দেবার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু রহিম জলাশয়ের পাড় বাঁধা বাবদ অর্থদাবীকে কেন্দ্র করে ভুমিহীনদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয় এবং এক পর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আব্দুল করিমের গলাকেটে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে হত্যা মামলা হয়েছে।
লাশময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। বর্তমান ঐ এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

27 September, 2012

কুড়িগ্রামের শিশুপার্ক ২টি যেন গোচারণ ভূমি!



কুড়িগ্রাম: বাংলাদেশের সর্বউত্তরে হিমালয় পাদদেশীয় সীমান্তবর্তী প্রত্যন্ত জেলা কুড়িগ্রাম। এ জেলায় প্রকৃতিগতভাবে প্রতিবছরই লেগে থাকে বন্যা, খরা, শৈতপ্রবাহসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ। ২২ লাখ মানুষের এ জেলায় বিনোদনের জন্য গড়ে ওঠেনি তেমন কোনো নান্দনিক, মনমুগ্ধকর স্থাপত্য বা বিনোদন কেন্দ্র। শিশুদের বিনোদনের জন্য নামে মাত্র ২টি পার্ক রয়েছে। তবে এ পার্ক ২টির দশা এমনই বেহাল যে এখানে গরু-ছাগল চরে। তাই, অভিভাবকরা শিশুদের নিয়ে এখানে আসতে চান না। সরেজমিন দেখা যায়, শিশুদের বিনোদনের জন্য দেড় যুগ আগে কুড়িগ্রাম নতুন ও পুরাতন শহরে ২টি শিশু পার্ক গড়ে উঠলেও বর্তমানে এর বেহাল দশা। পার্কের দোলনা, স্লিপার, ঢেকিসহ প্রতিটি খেলার সামগ্রী ভেঙে গেছে। চুরি হয়ে গেছে দেওয়ালের গ্রিল।স্থানীয় অধিবাসী খাজা ইউনুস ঈদুল, মনিরুল ইসলামসহ আরও অনেকে জানান, পার্ক ২টি বর্তমানে গো-চারণ ভূমিতে পরিণত হয়েছে। শিশুরা পার্ক ২টিতে খেলতে এসে প্রায়ই নানা দুর্ঘটনার স্বীকার হয়। শিশুদের নিরাপত্তার জন্য পার্ক ২টিতে নেই কোনো দারোয়ান বা নিরাপত্তাকর্মী।তারা আরও জানান, দিন-দুপুরেই এ ২টি স্থানে চলে বখাটে আর মাদক সেবীদের আড্ডা। সন্ধ্যার পর ছিনতাইকারীদের ভয়ে ওই পার্কের সামনের রাস্তা দিয়েও কেউ যেতে সাহস পান না।নেশাখোর আর বখাটেদের ভয়ে শিশুরা পার্ক ২টিতে খেলতে আসে না। পার্ক ২টিতে খেলতে আসা শিশু অর্ণব (৭), তাসিন (৮) ও তানহা (৯) জানায়, পার্কের খেলার সামগ্রীগুলোর বেহাল দশার কারণে তারা ঠিকমত খেলতে পারে না। বখাটে এবং বড়দের আড্ডা থাকে সব সময়।

শিশুদের সঙ্গে আসা অভিভাবকরা জানান, কর্ম ব্যস্ততার ফাঁকে  কুড়িগ্রামবাসীর জন্য জেলায় কোনো বিনোদন কেন্দ্র নেই, নেই কোনো বেড়াতে যাওয়ার জায়গা। শিশুদের বিনোদনের জন্য থাকা পার্ক ২টি খেলার অনুপযোগী। জরুরি ভিত্তিতে পার্কগুলো শিশুদের খেলার উপোযোগী করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানান তারা।তারা আরও জানান, পার্ক ২টিতে বখাটে আর মাদক সেবীদের আড্ডার কারণে শিশুদের আনতে সাহস হয় না। কর্তৃপক্ষ জরুরি ভিত্তিতে শিশু পার্ক ২টি মেরামত ও মানোন্নয়ন করে বিনোদন উপযোগী করলে শিশুরা আবারও পার্কে আসবে। বিকশিত হবে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য।কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মইনুল ইসলাম বাংলানিউজকে জানান, শহর জুড়ে আমাদের পুলিশি টহল জোড়দার রয়েছে। পার্ক ২টিতে কোনো অসামাজিক কর্মকাণ্ড চোখে পড়লে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।কুড়িগ্রাম পৌরসভার মেয়র নুর ইসলাম নুরু জানান, সময়ের সঙ্গে নাগরিক জীবনের অনেক পরির্বতন হয়েছে। শহরে শিশুদের খেলাধুলা করার মতো মাঠ কমে গেছে। শিশুরা একটু সময় পেলে ছুটে যায় পার্কে। এখানে আধুনিক খেলার সরঞ্জাম নেই। তার চেয়েও বড় কথা যে সরঞ্জামগুলো রয়েছে তাও নষ্ট হয়ে গেছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে শিশু পার্ক ২টি মেরামত করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।

23 July, 2012

কুড়িগ্রামে প্রগতিশীল ছাত্র জোটের কর্মীদের উপর ছাত্রলীগের হামলা: আহত ৫

অনার্স চতুর্থ বর্ষের ( ফাইনাল পরিক্ষা) পরিক্ষার ফরম পুরনের বর্ধিত ফি প্রত্যাহারের দাবীতে কুড়িগ্রামে প্রগতিশীল ছাত্র জোটের অবস্থান ধর্মঘটের উপর ছাত্রলীগ নেতা কর্মীরা হামলা চালিয়েছে। এতে ছাত্রফ্রন্ট ও ছাত্র ইউনিয়নের  ৫জন নেতা কর্মী আহত হয়। আহতদের কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার দুপুর ১২টায় কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার প্রতিবাদে দুপুর দেড়টায় প্রগতিশীল ছাত্র জোট শহরে মিছিল সমাবেশ করে। ছাত্রফ্রন্টের জলা সংগঠক আতিকুর রহমান ও জেলা ছাত্র ইউনিয়নের নেতা নিরঞ্জন চন্দ্র রায় গুরুত্বর আহত হয়।
লিখিত অভিযোগে জানা যায়, সোমবার সকাল ১১ টায় প্রগতিশীল ছাত্র জোট কুড়িগ্রাম সরকারী মহাবিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান ধর্মঘট করে। এ সময় ছাত্রলীগের ২৫/৩০ জনের একটি দল সেখানে উপস্থিত হয়ে তাদের সরে যেতে বলে। সরতে রাজি না হওয়ায় ছাত্রলীগ কর্মীরা আন্দোলনকারীদের উপর হামলা চালায়। এতে আতিকুর রহমান, নিরঞ্জন চন্দ্র রায়, মৌসুমি রহমান বুবলি, কামরুন্নাহার সরকার, রনজিত কুমার আহত হয়।
এ ঘটনার প্রতিবোদে জোটের পক্ষ থেকে শহরে মিছিল ও কলেজ মোডে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ছাত্র ইউনিয়ন কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি মোখলেছুর রহমান, ছাত্রফন্ট্রের কলেজ শাখার সভাপতি গৌতম কুমার।
জোটের পক্ষ থেকে গৌতম কুমার জানায়, কুড়িগ্রাম সরকারী মহাবিদ্যালয়ে সোমবার থেকে অনার্স চতুথ বর্ষের ফরম ফিলাপ শুরু হয়। মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগে বিষয় সমূহের জন্য ২৮ শত ৫০ টাকা, বিজ্ঞান বিভাগ সমূহে ৩ হাজার ৩ শত ৭৭ টাকা নির্ধারন করা হয়। যা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বেশি। এর প্রতিবোদে অবস্থান ধর্মঘট করলে ছাত্রলীগ হামলা চালায়।
কুড়িগ্রাম সরকারী কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক ওয়াহেদুর রহমান বলেন, এটা একটি অনকাঙ্খিত ঘটনা। জোটের কর্মীরা আন্দোলনের নামে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ইলিয়াসকে লাঞ্চিত  করায় ছাত্রলীগ কর্মীরা এগিয়ে গেলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ শাহিনুর রহমান আহতদের ভর্তির কথা স্বীকার করে বলেন তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া  হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে কুড়িগ্রাম সরকারী মহাবিদ্যালয়ের উপাধাক্ষ্য তোফায়েল হোসেন বলেন, বর্ধিত ফি’র তথ্যটি সঠিক নয়। গত বছরের নির্ধারিত ফি এবছরও নেয়া হয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মনিতি মেনে ফি নির্ধারন করা হয়েছে।

20 July, 2012

কুড়িগ্রাম জেলা কাজী সমিতির নির্বাচন

কুড়িগ্রাম জেলা মুসলিম ম্যারেজ রেজিঃ (কাজী) সম্মেলন ও জেলা কাজী সমিতির নিয়মিত নির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। গত ১৪ জুলাই জেলা পরিষদ মিলনায়তনে কাজী রিয়াজুল ইসলামের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন রংপুর বিভাগীয় প্রধান উপদেষ্টা কাজী দেলোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রংপুর বিভাগীয় কাজী সমিতির সভাপতি হাফেজ আমজাদ হোসেন, বিভাগীয় মহাসচিব আমিমুল ইহসান রায়হান প্রমুখ। সম্মেলনে জেলার ৮১ জন কাজীর মধ্যে উপস্থিত ৬৭ জন কাজীর ব্যালটের মাধ্যমে প্রত্য ভোটে কুড়িগ্রাম জেলা কাজী সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান ৪৪ ভোট ও সাধারণ সম্পাদক খান্দকার মোস্তাক আহাম্মেদ ৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে। সভাপতি পদে কাজী নুরুজ্জামান ২২ ভোট ও সাধারণ সম্পাদক পদে আযম আলী ৬ ভোট, মাহবুবুর রহমান ৮ ভোট এবং আমিনুল ইসলাম ১৪ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন।

18 July, 2012

ডাব্লুইএফপি’র বিস্কুট খেয়ে একই স্কুলের ২৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ্য

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার অর্জুনের ডারা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৫ শিক্ষার্থী বিশ্বস্থাস্থ্য সংস্থার স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের দেয়া বিস্কুট খেয়ে অসুস্থ্য হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে গুরুতর ৪ শিক্ষার্থীকে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অসুস্থ্য শিক্ষার্থী, অভিভাবক, স্কুল কর্তৃপ সুত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ঐ স্কুলের ১ম শ্রেনী থেকে ৫ম শ্রেনী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের প্রতিদিনের মতো টিফিনের সময় বিস্কুট দেয়া হয়।
এ সময় প্যাকেট খুলে বিস্কুটে দুর্গন্ধ পেয়ে ৩য় শ্রেনীর কয়েক ছাত্র ক্লাশ শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষককে দুর্গন্ধযুক্ত বিস্কুটের কথা বললেও শিক্ষকরা তাতে কর্ণপাত না করে ঐ বিস্কুটেই খেতে বলে। দুর্গন্ধযুক্ত বিস্কুট খেয়ে ৩য় শ্রেনীর ২০ জন, ৪র্থ শ্রেনীর ২জন এবং ৫ম শ্রেনীর ৩জন অসুস্থ্য হয়।
অসুস্থ্য শিশুরা বাড়ি যাবার পথে রাস্তায় বমি করে পড়ে যায়। পথচারীরা তাদের উদ্ধার করে। পরে অভিভাবকরা খবর পেয়ে তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসে। এর মধ্যে গুরুতর ৪জন ৩য় শ্রেনীর সোহেল রানা, ৪র্থ শ্রেনীর মানিক ও রোকন এবং ৫ম শ্রেনীর মাসুদ রানাকে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় উলিপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ফারুক হোসেনসহ ৩সদস্যের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিস্কুটের নমুনা সংগ্রহ করে।
সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. নজরুল ইসলাম জানান, ফুড পয়জনিং জনিত কারণে শিশুরা অসুস্থ্য হয়ে পড়েছিল। তবে তারা বর্তমানে আশংকামুক্ত।
এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, নমুনা সংগ্রহ করে বাস্তবায়নকারী সংস্থা আরডিআরএসকে পরীক্ষা করার জন্য পাঠানো হয়েছে।

12 July, 2012

উপজেলা চেয়ারম্যানকে গ্রেফতারের দাবীতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে দুর্নীতির অভিযোগে উপজেলা চেয়ারম্যানকে গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় উপজেলার রমনা মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান  নুর-ই-এলাহি তুহিন ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল শুভর নেতৃত্বে প্রায় ৩’শতাধিক নারী-পুরুষ বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে। উল্লেখ্য গত শুক্রবার প্রান বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে চিলমারী উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের নদী ভাঙ্গণ ও বানভাসী মানুষের মাঝে জনপ্রতি ৫ হাজার টাকা করে বিতরণ করা হয়। উক্ত বিতরণী অনুষ্ঠানে উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উপস্থিত থাকলেও রমনা মডেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অনুপস্থিত ছিলেন। ত্রাণ বিতরণ চলাকালীন লোকমুখে সংবাদ পেয়ে রমনা মডেল ইউপি চেয়ারম্যান নুর-ই এলাহী তুহিন উপজেলা পরিষদে উপস্থিত হয়ে দেখতে পান তাঁর ইউনিয়ন পরিষদের ব্যানার ব্যবহার করে ত্রাণের টাকা বিতরণ করা হচ্ছে। কেন তাকে ত্রাণ বিতরণের বিষয়টি জ্ঞাত করা হয়নি তা এনজিও কো-অর্ডিনেটর বিকাশ চন্দ্র ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শওকত আলী সরকার বীরবিক্রমের নিকট জানতে চান। এনিয়ে এক পর্যায়ে উপজেলা চেয়ারম্যানের সঙ্গে রমনা মডেল ইউপি চেয়ারম্যানের বচসা হয়। এর পরপরই উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ওই দিনেই ১২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে চিলমারী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে। আট দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরও  উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ শওকত আলী সরকার (বীর বিক্রম) কে অজ্ঞাত কারনে পুলিশ গ্রেফতার না করায় তার প্রতিবাদে এবং চেয়ারম্যানকে গ্রেফতারের দাবীতে গতকাল মিছিল ও মানববন্ধন করে এবং রমনা ইউপি চেয়ারম্যান সহ মানববন্ধনে উপস্থিত জনতা উপজেলা চেয়ারম্যানকে অবিলম্বে গ্রেফতার না করা হলে আমরন অনশনের ঘোষনা দেন।

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ