15 December, 2012

সেতুর অভাবে ছয় হাজার মানুষকে ঝুকিপূর্ণভাবে পারাপার

একটি সেতুর অভাবে সারা বছর হাটবাজার নিত্যদিনের কাজ সহ শিড়্গার্থীদের প্রতিনিয়ত পারাপার করতে হচ্ছে ঝুকিপূর্ণভাবে। গ্রাম্য দানদড়্গিনায় নীর্মিত হয় চলাচলের জন্য দুটি বাশের নাম মাত্র সাকো। বর্ষা মৌসুমে কাজ হয়না এধরনের সাকোয় তাই পারাপারের মাধ্যম হয় ভেলা। এতে নিদারম্নন কষ্টে পরতে হয় বিদ্যালয়গামী শিড়্গার্থীদের। কুড়িগ্রাম জেলার কচাকাটা থানার কেদার ও বলদিয়া ইউনিয়নের চর বিঞ্চুপুড় ও চর সতিপুড়ি গ্রামের প্রায় ছয় হাজার লোকের বসবাস। বাসিন্দারা বছরের পর বছর এভাবেই কষ্টে যাতায়াত করে থাকে। এ চর বাসিন্দারা চার দিক থেকে দুধকুমর নদী দ্বারা বেষ্টিত কোন দিকেই বেরম্ননের সড়ক পথ নেই। এক মাত্র নিকটতম স্থলভাগ হচ্ছে কেদার ইউনিয়নের সুবল পাড় বাজার রোড। চরে কোন প্রকার বিদ্যালয় নেই তাই চরের শিড়্গার্থীদের নদী পার হয়ে সুবলপাড় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সুবলপাড় উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়তে হয় । এহেন যোগাযোগ বিছিন্ন হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে বিদ্যালয় বন্ধ করে দিতে হয় শিড়্গার্থীদের। অন্যদিকে জরম্নরী চিকিৎসা সেবা পাওয়াও দুস্কর হয়ে উঠেছে এ চরের বাসিন্দাদের। কৃষি নির্ভর এ চরটির কৃষি পন্য ন্যায্য মূল্যও পায়না কৃষকেরা একমাত্র যোগাযোগ বিছিন্ন হওয়ায়। চরবাসী সরকারের আসুদৃষ্টি কামনা করে একটি সেতু নীর্মানের।

21 November, 2012

কুড়িগ্রামে আইনজীবিদের বিক্ষোভ সমাবেশ

আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদের গাড়ি বহরে  জামাত শিবিরে হামলার প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কুড়িগ্রাম জেলা আইনজীবি সম্বনয় পরিষদের উদ্যোগে বুধবার সকালে আদালত চত্বরে সমাবেশে  জেলা আইনজীবি সমিতির  সভাপতি এডভোকেট আব্দুল খালেক চাঁদ, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্রাহাম লিংকন, এডভোকেট আমজাদ হোসেন, এডভোকেট সুজিৎ কুমার, এডভোকেট সহিদুল ইসলাম সাজু, এডভোকেট আলতাফ হোসেন প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

06 October, 2012

ভুরুঙ্গামারী কৃষক ফেডারেশনের সভাপতিকে গলা কেটে হত্যা

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে উপজেলা কৃষক ফেডারেশনের সভাপতিকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুবৃত্তরা।
শনিবার সকালে প্রকাশ্যে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিহতের নাম আব্দুল করিম (৬৫)। তার বাড়ি জয়মনির হাট ইউনিয়নের ছোটখাটামারী গ্রামে। দীর্ঘ দিন থেকে তিনি জয়মনিরহাট পরিত্যক্ত রেলপথের উপর ভুমিহীন বাসিন্দাদের পুর্নবাসনে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।
জানা গেছে, গত ২বছর আগে বেলদহ গ্রামের জনৈক শামসুল আলমের সাথে রেলের পরিত্যক্ত সম্পতি নিয়ে ভুমিহীনদের মধ্যে মামলা হয়। ঐ মামলায় শামসুল আলম ৯জন ভুমিহীনকে আসামী করে।  রোববার (৭/১০/১২) আদালতে ঐ মামলার তারিখ ছিলো।
এরই প্রেক্ষিতে শনিবার সকালে আব্দুল করিমের নেতৃত্বে মামলাটি আপোষ করার জন্য বেলদহ চারমাথা মোড়ে সকাল ৯টায় ভুমিহীনদের মধ্যে বৈঠক বসে।
বৈঠকে ভুমিহীন সদস্য বেলদহ গ্রামের আব্দুর রহিমের (৫৫) দখলী রেলের ৮শতক জলাশয় বাদী শামসুল আলমকে দেবার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু রহিম জলাশয়ের পাড় বাঁধা বাবদ অর্থদাবীকে কেন্দ্র করে ভুমিহীনদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয় এবং এক পর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আব্দুল করিমের গলাকেটে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে হত্যা মামলা হয়েছে।
লাশময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। বর্তমান ঐ এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

27 September, 2012

কুড়িগ্রামের শিশুপার্ক ২টি যেন গোচারণ ভূমি!



কুড়িগ্রাম: বাংলাদেশের সর্বউত্তরে হিমালয় পাদদেশীয় সীমান্তবর্তী প্রত্যন্ত জেলা কুড়িগ্রাম। এ জেলায় প্রকৃতিগতভাবে প্রতিবছরই লেগে থাকে বন্যা, খরা, শৈতপ্রবাহসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ। ২২ লাখ মানুষের এ জেলায় বিনোদনের জন্য গড়ে ওঠেনি তেমন কোনো নান্দনিক, মনমুগ্ধকর স্থাপত্য বা বিনোদন কেন্দ্র। শিশুদের বিনোদনের জন্য নামে মাত্র ২টি পার্ক রয়েছে। তবে এ পার্ক ২টির দশা এমনই বেহাল যে এখানে গরু-ছাগল চরে। তাই, অভিভাবকরা শিশুদের নিয়ে এখানে আসতে চান না। সরেজমিন দেখা যায়, শিশুদের বিনোদনের জন্য দেড় যুগ আগে কুড়িগ্রাম নতুন ও পুরাতন শহরে ২টি শিশু পার্ক গড়ে উঠলেও বর্তমানে এর বেহাল দশা। পার্কের দোলনা, স্লিপার, ঢেকিসহ প্রতিটি খেলার সামগ্রী ভেঙে গেছে। চুরি হয়ে গেছে দেওয়ালের গ্রিল।স্থানীয় অধিবাসী খাজা ইউনুস ঈদুল, মনিরুল ইসলামসহ আরও অনেকে জানান, পার্ক ২টি বর্তমানে গো-চারণ ভূমিতে পরিণত হয়েছে। শিশুরা পার্ক ২টিতে খেলতে এসে প্রায়ই নানা দুর্ঘটনার স্বীকার হয়। শিশুদের নিরাপত্তার জন্য পার্ক ২টিতে নেই কোনো দারোয়ান বা নিরাপত্তাকর্মী।তারা আরও জানান, দিন-দুপুরেই এ ২টি স্থানে চলে বখাটে আর মাদক সেবীদের আড্ডা। সন্ধ্যার পর ছিনতাইকারীদের ভয়ে ওই পার্কের সামনের রাস্তা দিয়েও কেউ যেতে সাহস পান না।নেশাখোর আর বখাটেদের ভয়ে শিশুরা পার্ক ২টিতে খেলতে আসে না। পার্ক ২টিতে খেলতে আসা শিশু অর্ণব (৭), তাসিন (৮) ও তানহা (৯) জানায়, পার্কের খেলার সামগ্রীগুলোর বেহাল দশার কারণে তারা ঠিকমত খেলতে পারে না। বখাটে এবং বড়দের আড্ডা থাকে সব সময়।

শিশুদের সঙ্গে আসা অভিভাবকরা জানান, কর্ম ব্যস্ততার ফাঁকে  কুড়িগ্রামবাসীর জন্য জেলায় কোনো বিনোদন কেন্দ্র নেই, নেই কোনো বেড়াতে যাওয়ার জায়গা। শিশুদের বিনোদনের জন্য থাকা পার্ক ২টি খেলার অনুপযোগী। জরুরি ভিত্তিতে পার্কগুলো শিশুদের খেলার উপোযোগী করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানান তারা।তারা আরও জানান, পার্ক ২টিতে বখাটে আর মাদক সেবীদের আড্ডার কারণে শিশুদের আনতে সাহস হয় না। কর্তৃপক্ষ জরুরি ভিত্তিতে শিশু পার্ক ২টি মেরামত ও মানোন্নয়ন করে বিনোদন উপযোগী করলে শিশুরা আবারও পার্কে আসবে। বিকশিত হবে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য।কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মইনুল ইসলাম বাংলানিউজকে জানান, শহর জুড়ে আমাদের পুলিশি টহল জোড়দার রয়েছে। পার্ক ২টিতে কোনো অসামাজিক কর্মকাণ্ড চোখে পড়লে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।কুড়িগ্রাম পৌরসভার মেয়র নুর ইসলাম নুরু জানান, সময়ের সঙ্গে নাগরিক জীবনের অনেক পরির্বতন হয়েছে। শহরে শিশুদের খেলাধুলা করার মতো মাঠ কমে গেছে। শিশুরা একটু সময় পেলে ছুটে যায় পার্কে। এখানে আধুনিক খেলার সরঞ্জাম নেই। তার চেয়েও বড় কথা যে সরঞ্জামগুলো রয়েছে তাও নষ্ট হয়ে গেছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে শিশু পার্ক ২টি মেরামত করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।

23 July, 2012

কুড়িগ্রামে প্রগতিশীল ছাত্র জোটের কর্মীদের উপর ছাত্রলীগের হামলা: আহত ৫

অনার্স চতুর্থ বর্ষের ( ফাইনাল পরিক্ষা) পরিক্ষার ফরম পুরনের বর্ধিত ফি প্রত্যাহারের দাবীতে কুড়িগ্রামে প্রগতিশীল ছাত্র জোটের অবস্থান ধর্মঘটের উপর ছাত্রলীগ নেতা কর্মীরা হামলা চালিয়েছে। এতে ছাত্রফ্রন্ট ও ছাত্র ইউনিয়নের  ৫জন নেতা কর্মী আহত হয়। আহতদের কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার দুপুর ১২টায় কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার প্রতিবাদে দুপুর দেড়টায় প্রগতিশীল ছাত্র জোট শহরে মিছিল সমাবেশ করে। ছাত্রফ্রন্টের জলা সংগঠক আতিকুর রহমান ও জেলা ছাত্র ইউনিয়নের নেতা নিরঞ্জন চন্দ্র রায় গুরুত্বর আহত হয়।
লিখিত অভিযোগে জানা যায়, সোমবার সকাল ১১ টায় প্রগতিশীল ছাত্র জোট কুড়িগ্রাম সরকারী মহাবিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান ধর্মঘট করে। এ সময় ছাত্রলীগের ২৫/৩০ জনের একটি দল সেখানে উপস্থিত হয়ে তাদের সরে যেতে বলে। সরতে রাজি না হওয়ায় ছাত্রলীগ কর্মীরা আন্দোলনকারীদের উপর হামলা চালায়। এতে আতিকুর রহমান, নিরঞ্জন চন্দ্র রায়, মৌসুমি রহমান বুবলি, কামরুন্নাহার সরকার, রনজিত কুমার আহত হয়।
এ ঘটনার প্রতিবোদে জোটের পক্ষ থেকে শহরে মিছিল ও কলেজ মোডে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ছাত্র ইউনিয়ন কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি মোখলেছুর রহমান, ছাত্রফন্ট্রের কলেজ শাখার সভাপতি গৌতম কুমার।
জোটের পক্ষ থেকে গৌতম কুমার জানায়, কুড়িগ্রাম সরকারী মহাবিদ্যালয়ে সোমবার থেকে অনার্স চতুথ বর্ষের ফরম ফিলাপ শুরু হয়। মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগে বিষয় সমূহের জন্য ২৮ শত ৫০ টাকা, বিজ্ঞান বিভাগ সমূহে ৩ হাজার ৩ শত ৭৭ টাকা নির্ধারন করা হয়। যা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বেশি। এর প্রতিবোদে অবস্থান ধর্মঘট করলে ছাত্রলীগ হামলা চালায়।
কুড়িগ্রাম সরকারী কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক ওয়াহেদুর রহমান বলেন, এটা একটি অনকাঙ্খিত ঘটনা। জোটের কর্মীরা আন্দোলনের নামে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ইলিয়াসকে লাঞ্চিত  করায় ছাত্রলীগ কর্মীরা এগিয়ে গেলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ শাহিনুর রহমান আহতদের ভর্তির কথা স্বীকার করে বলেন তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া  হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে কুড়িগ্রাম সরকারী মহাবিদ্যালয়ের উপাধাক্ষ্য তোফায়েল হোসেন বলেন, বর্ধিত ফি’র তথ্যটি সঠিক নয়। গত বছরের নির্ধারিত ফি এবছরও নেয়া হয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মনিতি মেনে ফি নির্ধারন করা হয়েছে।

20 July, 2012

কুড়িগ্রাম জেলা কাজী সমিতির নির্বাচন

কুড়িগ্রাম জেলা মুসলিম ম্যারেজ রেজিঃ (কাজী) সম্মেলন ও জেলা কাজী সমিতির নিয়মিত নির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। গত ১৪ জুলাই জেলা পরিষদ মিলনায়তনে কাজী রিয়াজুল ইসলামের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন রংপুর বিভাগীয় প্রধান উপদেষ্টা কাজী দেলোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রংপুর বিভাগীয় কাজী সমিতির সভাপতি হাফেজ আমজাদ হোসেন, বিভাগীয় মহাসচিব আমিমুল ইহসান রায়হান প্রমুখ। সম্মেলনে জেলার ৮১ জন কাজীর মধ্যে উপস্থিত ৬৭ জন কাজীর ব্যালটের মাধ্যমে প্রত্য ভোটে কুড়িগ্রাম জেলা কাজী সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান ৪৪ ভোট ও সাধারণ সম্পাদক খান্দকার মোস্তাক আহাম্মেদ ৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে। সভাপতি পদে কাজী নুরুজ্জামান ২২ ভোট ও সাধারণ সম্পাদক পদে আযম আলী ৬ ভোট, মাহবুবুর রহমান ৮ ভোট এবং আমিনুল ইসলাম ১৪ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন।

18 July, 2012

ডাব্লুইএফপি’র বিস্কুট খেয়ে একই স্কুলের ২৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ্য

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার অর্জুনের ডারা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৫ শিক্ষার্থী বিশ্বস্থাস্থ্য সংস্থার স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের দেয়া বিস্কুট খেয়ে অসুস্থ্য হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে গুরুতর ৪ শিক্ষার্থীকে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অসুস্থ্য শিক্ষার্থী, অভিভাবক, স্কুল কর্তৃপ সুত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ঐ স্কুলের ১ম শ্রেনী থেকে ৫ম শ্রেনী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের প্রতিদিনের মতো টিফিনের সময় বিস্কুট দেয়া হয়।
এ সময় প্যাকেট খুলে বিস্কুটে দুর্গন্ধ পেয়ে ৩য় শ্রেনীর কয়েক ছাত্র ক্লাশ শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষককে দুর্গন্ধযুক্ত বিস্কুটের কথা বললেও শিক্ষকরা তাতে কর্ণপাত না করে ঐ বিস্কুটেই খেতে বলে। দুর্গন্ধযুক্ত বিস্কুট খেয়ে ৩য় শ্রেনীর ২০ জন, ৪র্থ শ্রেনীর ২জন এবং ৫ম শ্রেনীর ৩জন অসুস্থ্য হয়।
অসুস্থ্য শিশুরা বাড়ি যাবার পথে রাস্তায় বমি করে পড়ে যায়। পথচারীরা তাদের উদ্ধার করে। পরে অভিভাবকরা খবর পেয়ে তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসে। এর মধ্যে গুরুতর ৪জন ৩য় শ্রেনীর সোহেল রানা, ৪র্থ শ্রেনীর মানিক ও রোকন এবং ৫ম শ্রেনীর মাসুদ রানাকে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় উলিপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ফারুক হোসেনসহ ৩সদস্যের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিস্কুটের নমুনা সংগ্রহ করে।
সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. নজরুল ইসলাম জানান, ফুড পয়জনিং জনিত কারণে শিশুরা অসুস্থ্য হয়ে পড়েছিল। তবে তারা বর্তমানে আশংকামুক্ত।
এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, নমুনা সংগ্রহ করে বাস্তবায়নকারী সংস্থা আরডিআরএসকে পরীক্ষা করার জন্য পাঠানো হয়েছে।

12 July, 2012

উপজেলা চেয়ারম্যানকে গ্রেফতারের দাবীতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে দুর্নীতির অভিযোগে উপজেলা চেয়ারম্যানকে গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় উপজেলার রমনা মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান  নুর-ই-এলাহি তুহিন ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল শুভর নেতৃত্বে প্রায় ৩’শতাধিক নারী-পুরুষ বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে। উল্লেখ্য গত শুক্রবার প্রান বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে চিলমারী উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের নদী ভাঙ্গণ ও বানভাসী মানুষের মাঝে জনপ্রতি ৫ হাজার টাকা করে বিতরণ করা হয়। উক্ত বিতরণী অনুষ্ঠানে উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উপস্থিত থাকলেও রমনা মডেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অনুপস্থিত ছিলেন। ত্রাণ বিতরণ চলাকালীন লোকমুখে সংবাদ পেয়ে রমনা মডেল ইউপি চেয়ারম্যান নুর-ই এলাহী তুহিন উপজেলা পরিষদে উপস্থিত হয়ে দেখতে পান তাঁর ইউনিয়ন পরিষদের ব্যানার ব্যবহার করে ত্রাণের টাকা বিতরণ করা হচ্ছে। কেন তাকে ত্রাণ বিতরণের বিষয়টি জ্ঞাত করা হয়নি তা এনজিও কো-অর্ডিনেটর বিকাশ চন্দ্র ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শওকত আলী সরকার বীরবিক্রমের নিকট জানতে চান। এনিয়ে এক পর্যায়ে উপজেলা চেয়ারম্যানের সঙ্গে রমনা মডেল ইউপি চেয়ারম্যানের বচসা হয়। এর পরপরই উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ওই দিনেই ১২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে চিলমারী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে। আট দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরও  উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ শওকত আলী সরকার (বীর বিক্রম) কে অজ্ঞাত কারনে পুলিশ গ্রেফতার না করায় তার প্রতিবাদে এবং চেয়ারম্যানকে গ্রেফতারের দাবীতে গতকাল মিছিল ও মানববন্ধন করে এবং রমনা ইউপি চেয়ারম্যান সহ মানববন্ধনে উপস্থিত জনতা উপজেলা চেয়ারম্যানকে অবিলম্বে গ্রেফতার না করা হলে আমরন অনশনের ঘোষনা দেন।

10 July, 2012

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১: আহত ১

কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার কর্তিমারী এলাকায় ভটভটির সাথে মটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে  আনোয়ার হোসেন (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত সফিয়ার রহমানকে (২৬) ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বজলুর রশীদ জানান, রৌমারী থেকে কর্তিমারী গামী  শ্যালো চালিত একটি ভটভটি কর্তিমারী বাজারের নিকট বিপরীত গামী একটি মটর সাইকেলের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে সোমবার দিবাগত রাত একটায়। এতে মটর সাইকেল চালক  আনোয়ার হোসেন ও সফিয়ার রহমানকে প্রথমে রৌমারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অবস্থার অবনতি হলে তাদের দুজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মঙ্গলবার ভোর রাতে  আনোয়ার হোসেনের মৃত্যু হয়

30 June, 2012

১৫ শ্রমিকসহ ভাসমান তেল ডিপোর বার্জ ভেসে গেছে: চলছে উদ্ধার কাজ

কুড়িগ্রামের চিলমারী বন্দর থেকে ব্রহ্মপুত্রের প্রবল পানির স্রোতে ডিপো সুপার ও ১৫ কর্মচারীসহ যমুনা ওয়েল কোম্পানির তেল ডিপোর একটি বার্জ ভেসে গেছে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ বার্জটি ভেসে যায়।
ডিপো সুপার খায়রুল কবীরের সাথে রাত সাড়ে ৯টার দিকে মোবাইল ফোনে জানা গেছে, সন্ধ্যার পরপর পানির প্রবল স্রোতে ভেসে যাওয়া বার্জটি উদ্ধারে ১৪টি শ্যালো ইঞ্জিন চালিত নৌকার মাধ্যমে উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে। ডিপোতে প্রায় ২লাখ লিটার তেল মজুদ রয়েছে। বর্তমানে বার্জটি চিলমারী বন্দর থেকে ভাটির দিকে প্রায় ১৫ কিলোমিটর লাউচর নামক স্থানে অবস্থান করছে।

28 June, 2012

কুড়িগ্রাম বেলগাছা ইউনিয়ন পরিষদে উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা

কুড়িগ্রাম বেলগাছা ইউনিয়ন পরিষদে সাইত্রিশ লক্ষ আঠার হাজার টাকার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে।
সনাক সভাপতি মো: শাহাবুদ্দিন এর সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে ইউনিয়নবাসীর সামনে বাজেট ঘোষনা করেন ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান ।
কুড়িগ্রাম সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) এর সহায়তায়  বেলগাছা ইউনিয়ন পরিষদ এর আয়োজনে ২০১২-২০১৩ অর্থ বছরের  বাজেট ঘোষনা করা হয়।
পরে জনগণের  বিভিন্ন প্রশ্নোত্তর পর্বে  ইউনিয়নের সেবা প্রদান রাস্তাঘাটের  উন্নয়ন, হাট বাজারের উন্নয়ন, বিভিন্ন জায়গায় পানি নিস্কাশনের জরুরী ব্যবস্থা করা, বাজেটের সঠিক বণ্টন এবং নারী উন্নয়নের জন্য বাজেটে পৃথক বরাদ্দ রাখা, তথ্য সেবা কেন্দ্র সার্বক্ষনিক চালু রাখা, শিক্ষার মান বৃদ্ধিকরণসহ নানান বিষয়ে জনগণের বিভিন্ন প্রশ্নের সমুস্খীন হন।
অনুষ্ঠানে বেলগাছা ইউনিয়নবাসী, বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন  শ্রেণী পেশার  লোকজন  উপস্থিত ছিলেন।

25 June, 2012

নিম্নাঞ্চলের ৫০গ্রাম প্লাবিত, ৩০হাজার মানুষ পানিবন্দী

প্রবল বর্ষণ ও উজানের পানিতে কুড়িগ্রামের সবক’টি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ধরলা ও ব্রহ্মপুত্রে পানিতে জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় পানিবন্দী হয়ে পড়েছে ৫০ গ্রামের  ৩০হাজার মানুষ। সোমবার পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত ২৪ঘন্টায় ধরলার পানি ১৭সেন্টিমিটার, নুনখাওয়া পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ৮ সেন্টিমিটার ও চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ১০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার সামান্য নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কুড়িগ্রামে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৮৮.০২মিলিমিটার।
প্লাবিত হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রাম সদর, উলিপুর, চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলার নিম্নাঞ্চল ও দ্বীপচরের ৫০টি গ্রাম। পানি বন্দী হয়ে পড়েছে এসব এলাকার ৩০হাজার মানুষ। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে কাচা সড়ক, বীজতলা, শাকসব্জি ও পাটখেত।

24 June, 2012

রাজারহাটে তিস্তানদীর ভাঙ্গনে ২০টি বাড়ী বিলীনঃ এলাকাবাসীর নদী ড্রেজিংয়ের দাবী

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে তিস্তা নদীতে পানি কমে যাওয়ায় ২দিনে বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের হংসধর, রামহরি, পাড়ামৌলার গ্রামের ২০টি বাড়ী নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। অসহায় ওই পরিবারগুলো ঠাঁই নিয়েছে অন্যের জায়গায়। অব্যাহত নদীভাঙ্গনের মুখে ক্রমেই পাল্টে যাচ্ছে রাজারহাট উপজেলার মানচিত্র।
তিস্তা নদীর ভাঙ্গনের তান্ডবলীলায়  ভিটেমাটি, বসতঘর ও আবাদি জমি হারিয়ে নি:স্ব হয়ে পড়েছে উপজেলার নদী তীরবর্তী তৈয়বখাঁ, পাড়ামৌলা, হংসধর, চতুরা, রামহরি, খিতাবখাঁ ও গতিয়াসাম গ্রামের শতাধিক পরিবার। ভাঙ্গন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে আরো প্রায় ৫ শতাধিক পরিবারের সদস্য।
গত এক সপ্তাহে তিস্তা নদীর বুকে বিলীন হয়ে গেছে ৬০ টি পরিবার। নদীর তীর রা বাঁধের বক ভেঙে নদীগর্ভে পড়তে শুরু করায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন উপজেলার ভাঙ্গনপ্রবণ ডাংরারহাট ও বুড়িরহাট এলাকার লোকজন। নদীর ভাঙনের মুখে বিলীন হতে বসেছে বিস্তীর্ণ জনপদ। আর ক’হাত ভাঙ্গলেই কালিরহাট রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি মাদরাসা ভবন নদীগর্ভে অদৃশ্য হয়ে যাবে বলে জানালেন হংসধর গ্রামের শিক্ষক সুশিল চন্দ্র রায়।
ইতিমধ্যে ওই এলাকার একটি জামে মসজিদসহ ১৫টি বাড়ী  নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে।
নদীভাঙ্গনের ভয়াবহতায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবুল হাসেম ও ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, নদী ড্রেজিং হলে রাজারহাট উপজেলার মানচিত্রও রক্ষা পাবে। নদীর পারের মানুষ ভিজিডি, ভিজিএফসহ কোন রিলিফ চায় না, তারা নিজেদের বাঁচাতে নদী খনন চায়। সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
জরুরী ভিত্তিতে এসব এলাকার ভাঙ্গনরোধে ব্যবস্থা না নিলে বাস্তুহারাদের সংখ্যা দিন দিন দ্বিগুন হবে।
এ ব্যাপারে  রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম মাজহারুল ইসলাম বলেন, নদী ভাঙ্গন একটি জাতীয় সমস্যা। তাই সরকার এর দ্রুত পদপে নিবে।
এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আবু তাহের বলেন, রাজারহাট উপজেলার তিস্তার ভাঙ্গন ঠেকাতে পাউবো কাজ করে যাচ্ছে।
কুড়িগ্রাম- ৩ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক মন্ত্রী মাঈদুল ইসলাম মুকুল জানান, সংসদে বিষয়টি উত্থাপিত করা হয়েছে। এছাড়া সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তপরে সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে, আশা করা হচ্ছে সরকার প্রতিবেশী দেশ চিনের সঙ্গে চুক্তি করে শীঘ্রই নদী ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু করবে। তবেই রাজারহাটসহ গোটা এলাকা তিস্তা নদীর ভাঙ্গন থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।

21 June, 2012

কুড়িগ্রামে চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে মানববন্ধন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামে চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে ন্যাশনাল সার্ভিস’এর সুবিধাভোগি যুবক-যুবতিরা। বুধবার সকাল থেকে কুড়িগ্রাম
ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি স্থায়ীকরণ বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদের ব্যানারে যুবক-যুবতি ও মহিলারা কুড়িগ্রাম ষ্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে এসে জড়ো হতে থাকে। প্রখর রোদ উপেক্ষো করে মানববন্ধন ও সমাবেশ করা হয়। এবং জেলা প্রশ্রাসনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্বারকলিপি দেয়া হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ- জননেত্রী শেখ হাসিনা’কে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়ে কর্মীরা জানান- 
আমরা বিশাল মানববন্ধনের মাধ্যমে সরকার সহ সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। শিক্ষিত জীবন নিয়ে আমাদের যেন বেকার সাজতে না হয়। এ জন্য সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি স্থায়ীকরণ বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদ নাগেশ্বরী শাখার সাধারণ সম্পাদক আল আমিন জানান- কর্মস্থান থেকে সাময়িক ছুটি অনুমোদন সাপেক্ষে তারা প্রায় পাঁচজারকর্মী আজকের কর্মসুচিতে যোগ দিয়েছে।
উলে¬¬খ্য- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী অঙ্গীকার মোতাবেক উত্তরের অবহেলিত কুড়িগ্রাম জেলার শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতিদের জন্য সরকারের গৃহিত দুই বছরের ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি’টি আগামি ১৪ জুলাই ইং তারিখে প্রথম ব্যাচের মেয়াদ শেষ হবে। বাকি ব্যাচগুলিও পর্যায়ক্রমে চলতি বছরেরই শেষ হওয়ার কথা।
যুব উন্নয়ন সুত্রে জানাগেছে, প্রথম পর্যায়ে আবেদনকারীদের মধ্যে থেকে প্রায় বত্রিশ হাজার যুবক-যুবতিকে ’ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি’ র আওতায় নেয়া হয়েছে।
ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি স্থায়ীকরণ বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদ নাগেশ্বরী শাখার আহ্বায়ক সোলজার হোসেন জানান- আমরা এখন থেকেই আন্দোলন চালিয়ে যাবো। সরকারকে আমাদের ভবিষ্যত কর্ম নিয়ে ভাবতেই হবে।
এ বাপারে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী আবেদ জানান- সরকার ঘোষিত
এই প্রকল্পর সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে। কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের ডাক্তার নজরুল ইসলাম জানান- এ হাসপাতালে নার্স সংকট লেগেই থাকতো। ন্যাশনাল সার্ভিস এ দশা থেকে কিছুটা মুক্তি দিয়েছে।

18 June, 2012

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের ওপর হামলায় ১৫০ জনকে আসামি করে মামলা : গ্রেফতার ১২

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমানের ওপর কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার পাঁচপীর এলাকায় বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভকারীদের হামলার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে। মামলায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে পাঁচপীর এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। বাজারের সব দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। গণগ্রেফতার ও পুলিশি হয়রানির ভয়ে পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে পাঁচপীরসহ আশপাশের এলাকা। হামলার ঘটনায় এজাহারভুক্ত ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উলিপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নাসির উদ্দিন জানান, হামলাকারীদের গ্রেফতারে পুলিশ সাড়াশি অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

08 June, 2012

আজ ৯জুন কাঁঠালবাড়ি গণহত্যা দিবস

আজ ৯ জুন কুড়িগ্রাম কাঠালবাড়ি গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের ৯ জুন কুড়িগ্রাম শহর থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে কাঠালবাড়ি বাজার ও আশপাশের ৬টি গ্রামে পাক বাহিনী তাদের এ দেশীয় দালালদের সহযোগিতায় নৃশংস হামলা চালিয়ে হত্যা করেছিল ৩৫ জন নিরপরাধ বাঙালিকে। সেই সাথে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে ধ্বংস্তুপে পরিণত করে এসব গ্রাম।
১৯৭১ সালের ৯ জুন গণহত্যার শিকার শহিদ আজিমুদ্দিনকে শুধু গুলি করে মারা হয়নি। গুলি করার পর তাকে আগুনে নিপে করা হয়েছিল। সেই যন্ত্রনা আর বিভৎসতা আজও তারা করে ফেরে স্ত্রী সুরতভানকে। বৃদ্ধ বয়সে এখন তিনি স্বামী হত্যার বিচার প্রার্থনা করেন।
শহিদ আজিমুদ্দিনের স্ত্রী সুরতভান জানান, এতো দিনও আমার স্বামীকে মারার বিচার পাই নাই। কত কষ্ট সহ্য করি মানুষের ঘরে-দুয়ারে কাজ-কাম করি ছেলে-মেয়েক মানুষ করছি। সকলের কাছে একটাই দাবি আমার স্বামীর কবরটা একটু বান্দি (পাকা) দেয়ার ব্যবস্থা করেন।
স্থানাীয় মুক্তিযোদ্ধা ও প্রত্যদর্শীরা জানান, বর্তমানে রাজনীতিতে একজন প্রতিষ্ঠিত রাজনীতিকের সহায়তায় পাকবাহিনী কাঠালবাড়ি বাজারের ৩দিক থেকে আক্রমন করে। এসময় বাজার ছাড়াও শিবরাম সন্যাসী, খামার প্রামাণিকটারি, সরদার পাড়া ও ফকির পাড়া গ্রামে অগ্নি সংযোগ করে। গুলি করে হত্যার পর আগুনে নিপে করা হয় অনেককেই।
শহিদদের পূর্নাঙ্গ তালিকা তৈরি, স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ ও শহিদদের পরিবারগুলোকে পুনর্বাসনে আজও সরকারী ভাবে কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। তবে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে একটি স্মৃতি স্তম্ভ নির্মাণের চেষ্টা করা হলেও তা এখনও সম্পন্ন হয়নি। বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করানো যায়নি যুদ্ধ অপরাধিদের।
এ ব্যাপারে বীর প্রতীক আব্দুল হাই জানান, ২০০৮ সালে যুদ্ধাপরাধী বিষয়ে সদর থানায় একটি ডায়েরী করি কিন্তু এখন পর্যন্ত সে বিষয়ে কোনো কার্যকর ভূমিকা নেয়া হয়নি। কাঁঠালবাড়ির গণহত্যার দোসরদের বিচার করতেই হবে। কেননা তারা লুন্ঠন, অগ্নিসংযোগ ও গণহত্যা চালিয়েছিল। সেই সাথে শহিদ পরিবারগুলো পুনর্বাসানেরও দাবি করেন এই বীর প্রতীক।
অপরদিকে কাঁঠালবাড়ী দিশারী সাংস্কৃতিক গোষ্টি সভাপতি আব্দুল খালেক ফারুক জানান, দীর্ঘদিন পর সাংস্কৃতিক সংগঠনে দিশারীর উদ্যোগে শহিদদের একটি তালিকা তৈরির চেষ্টা চলছে। এপর্যন্ত নাম পাওয়া গেছে ২০ জনের। গণহত্যা দিবস পালনে পতাকা উত্তোলন, মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

নিজের বুদ্ধিমত্তায় পাচারকারীদের হাত থেকে মুক্তি পেলো রাজারহাটের কিশোরী পলি রানী

বুদ্ধিমত্তার কারনে পাচারকারীদের হাত থেকে রা পেল কিশোরী পলি রানী।সে নতুন ভাবে বাঁচতে চায়।পড়াশুনা করে মানুষ হতে চায়। ভুলে যেতে চায় পাচারকারীদের  অমানুষিক শারিরীর নির্যাতনের কথা। এই কথাগুলো বলে কেঁদে ফেললো কিশোরী পলি। শারীরিক নির্যাতনের শিকার  পলিকে বৃহস্পতিবার কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে শুক্রবার সকালে তার আত্মীয় স্বজনের সাথে ফিরে যায় রাজারহাটের আমতলী সোনাবর গ্রামের বাড়ীতে। পুরো গ্রামে এখন আনন্দের বন্যা বইছে। কিশোরী পলিকে অপহরনের সাথে জরিত থাকার অভিযোগে পুলিশ ২জনকে গ্রেফতার করেছে ।  বাড়ি ফেরার আগে কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবে আসে আত্মীয়স্বজনদের সাথে। সেখানে বর্ণনা দেয় তার অপরহরণের।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার সোনাবর আমতলী গ্রামের দিনমজুর ভবেন্দ্র রায়ের কন্যা পলি রানী (১৫)। ছোটবেলা থেকে দারিদ্রের সাথে সংগ্রাম করছে সে।অধিকাংশ সময় পেট পুরে খেতে পারে না পলি এবং তার পরিবার । বাবা ভবেন্দ রায় প্রায় সময় কাজের সন্ধানে ঢাকা, চট্রগ্রাম চলে যান। মা দিপালী রানী মানুষের বাড়ীতে কাজ করে। সংসারের শত কষ্ঠেও পড়াশুনা বন্ধ করেনি পলি রানী। সাকোয়া দ্বিমুখী স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রী সে। প্রতিবেশী সহপাঠী সাথী তার আত্মীয়দের দ্বারা তাকে বিদেশে কাজের জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা করতে পারবে। এ নিয়ে সাথী  তাকে বিভিন্ন প্রকার প্রোলভন দেখাতো ।
সংসারের সচ্ছলতার কথা ভেবে সাথীর কথায় কাজে যেতে রাজী হয় কিশোরী পলি।আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে গত সোমবার স্কুলে যাবার কথা বলে সাথী পলিকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। সাথী তাকে প্রথমে টগরাইহাট এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে তাদের সাথে সম্পৃক্ত হয় রাজারহাট নবগ্রামের যুবক নুর ইসলাম ও শাহাদত ।
এই যুবকদ্বয় পলিকে হত্যার হুমকী দেখিয়ে রংপুর হয়ে মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় নিয়ে যায়। ঢাকার  মিরপুরের একটি ১২তলা ভবনের একটি কে পলিকে আটকিয়ে রাখে।ঐ যুবকদ্বয় পলিকে খারাপ কাজের প্রস্তাব দেয়।কিন্তু পলি রাজী না হওয়ায় সেখানে সাথীর উপস্থিতিতে অপহরণকারীরা পলির উপর মারধর সহ শারীরিক নির্যাতন চালায়।
নির্যাতনের এক সময় ঐ কিশোরীর আতœ চিৎকারে পার্শ্ববর্তী ফাটের লোকজন এগিয়ে আসলে ঐ যুবকরা পালিয়ে যায়। অবস্থা বেগতিক দেখে সাথী বাড়িতে পৌঁছে দেয়ার নাম করে বুধবার ঢাকা থেকে আবারো গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী বাস ষ্ট্যান্ড এলাকায় নিয়ে আসে পলিকে।
সেখানে সাথী আগে থেকে ওৎপেতে থাকা একটি চক্রের হাতে পলিকে তুলে দেয়ার চেষ্টা করলে পলি কৌশলে পালিয়ে এসে পার্শ্ববর্তী পলাশবাড়ী থানায় আশ্রয় নেয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অপহরনকারী সাথীকে আটক করে।
বুধবার রাতেই এব্যাপারে রাজারহাট থানাকে অবহিত করলে বৃহস্পতিবার এসআই শাহজাদুল ইসলামের নেতৃত্বে ৪ সদস্যের একটি টিম অপহৃত কিশোরী ও অপহরনকারীকে রাজারহাট থানায় নিয়ে আসে। নির্যাতনের শিকার কিশোরী শারীরিক ভাবে অসুস্থ্য হওয়ায় রাজারহাটথানা পুলিশ কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।শুক্রবার সকালে তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়া হয়।
পলির মা দিপালী রানী জানান সাথীর মা জোৎস্না বেগম পাচার কারী দলের সদস্য।তার নামে অনেক মামলা আছে।আমি জোৎস্না, মজিদুল,তালেব, নুরুর শাস্তি চাই। আমরা গরীব মানুষ  আমরা এই অন্যায়ের বিচার চাই।
চাকির পাশা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড়েও মেম্বার বিষাদ চন্দ্র রায় জানান জোৎস্না বেগম ও তার স্বামী আলতাফ হোসেন নারী পাচারকারী দলের সদস্য।তারা এলাকায় বেশ প্রভাবশালী। গরীব পলি রানীকে বাড়ীতে নিয়ে যাবার পর রাতে আবারও কোন ঘটনা ঘটায় এই আতংক কাজ করছে।
রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ছাদেকুল ইসলাম বলেন, কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার চাকিরপশার ইউনিয়নের সোনাবর (আমতলী) গ্রামের আলতাফ আলীর স্ত্রী জোসনা বেগম (৪৫) দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও নারী পাচারের কাজ করে আসছিল।
এরই ধারাবাহিকতায়  ৪ জুন সোমবার জোসনা বেগমের মেয়ে সাথী বেগম (১৬) এর যোগসাজসে পার্শ্ববর্তী বাড়ির পলিকে প্রলোভন দেখিয়ে অপহরন করে। পরে বিষয়টি জানতে পেরে পলি রানীর মা দিপালী রানী ওই দিন বিকেলে বাদী হয়ে রাজারহাট থানায় সাথী বেগম ,তার মা জোসনা বেগম  ও কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার ফুলমতি গ্রামের মাজেদুল ইসলাম (৩৫) কে অভিযুক্ত করে অভিযোগ দায়ের করেন।
বিষয়টি জানতে পেয়ে সু-চতুর জোসনা বেগম তড়িঘরি করে পলি রানীর স্বজন বিষ্ণুপদ রায় ও অজয় কুমার এর বিরুদ্ধে থানায় একটি পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেন।
সোমবার রাজারহাট থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ নুরুল ইসলাম অভিযোগ দুটি সরজমিন তদন্ত করতে গেলে এলাকার শত শত নারী-পুরুষ জোসনাকে গ্রেপ্তার পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে রাস্তা অবরোধ করে রাখে। নিরুপায় হয়ে থানা পুলিশ জোসনাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।

02 June, 2012

Computer এর গতি বাড়ান

উইন্ডোজ xp অপারেটিং সিষ্টেমে My Computer এর গতি বাড়ানোর জন্য.. Start/run –এ গিয়ে regedit লিখে Enter চাপুন। এবার HKEY^CURRENT^UDER\Control Panel\Desktop –এ প্রবেশ করে বাম পাশের MenuShowDelay –তে দুইবার click করুন। এবার মাউস এর Right Button –এ click করে Modify অপশনে যান। এখন Value Data হিসেবে 100 লিখে ok করে বেরিয়ে আসুন। এর পর থেকে উইন্ডোজ xp এর My Computer অনেক দ্রুত খুলবে।

01 June, 2012

চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্রে ভাঙ্গন\ হুমকির মুখে ডান তীর প্রতিরক্ষা প্রকল্প

কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা : জেলার চিলমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বাড়তে শুরু করেছে। সেই সঙ্গে দেখা দিয়েছে নদীভাঙ্গন। গত ১ সপ্তাহে নদী ভাঙ্গনের শিকার হয়েছে ২০টি পরিবার। নদী ভাঙ্গনের তীব্রতার কারণে হুমকির মুখে পড়েছে চিলমারী প্রতিরক্ষা প্রকল্পসহ রমনা নৌঘাট, ব্যাংকমারা ও রাজারভিটা এলাকা। সর্বশেষ গত বছরের বন্যার সময় ভাঙ্গনের হাত থেকে টিকে যাওয়া রমনা নদীঘাট, ব্যাঙ্গমারা ও রাজারভিটা এলাকার শেষাংশ বর্তমানে আবার নদীভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। উপজেলা সদর থেকে মাত্র ২ কিলোমিটার দূরে গুড়াতিপাড়া ও ব্যাংকমারা এলাকায় নদীভাঙ্গন তীব্রতর হয়েছে। গত ১ সপ্তাহে ২০টি বাড়িসহ ভেঙ্গে নিয়েছে আবাদি জমি, বসতভিটা ও রাস্তাঘাট। গুড়াতিপাড়া এলাকার বক্কর আলী (৫০) ও আব্দুর রহিম (৪৫) জানান, তারা অনেক কষ্টে জমিতে ধান লাগিয়ে ছিল। কিন্তু শেষ মহূর্তে নদীভাঙ্গনের শিকার হয়ে ধান ঘরে তুলতে পারেনি। পাশাপাশি জমি ভেঙ্গে নিয়েছে নদী। রমনা ঘাট এলাকার মো. আহেদ আলী (৫৫) জানান, নদীতে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। মাত্র সাত দিনে অর্ধশত বিঘা ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। উক্ত এলাকার ইউপি সদস্য নজির হোসেন বলেন, এখনই প্রতিরোধের ব্যবস্থা না নিলে হুমকির মুখে পড়বে প্রতিরক্ষা প্রকল্প। সরেজমিনে ভাঙ্গনকবলিত এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নদের ডান তীর রক্ষা প্রকল্পের দক্ষিণ দিক দিয়ে নদী কিছুটা ভেতরের দিকে ঢুকে পড়ায় সরকারের ১১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ডান তীর রক্ষা প্রকল্পটি বর্তমানে হুমকির মুখে রয়েছে। এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবু তাহের জানান, চিলমারী উপজেলাকে রক্ষায় দ্বিতীয় ফেজ কাজ করার জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট চাহিদা প্রেরণ করা হয়েছে। অনুমোদন ও বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু করা হবে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, নদীভাঙ্গনের করাল গ্রাস থেকে রক্ষার জন্য ইতোমধ্যে ব্যায় করা ১১৬ কোটি টাকার মধ্যে প্রচুর অর্থ লোপাট করা হয়েছে। এতে সঠিকভাবে কাজ না হওয়ায় আবারো নতুন করে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্তভাবে নদী শাসনের কাজ করা হলে সে স্থানে আর ভাঙ্গন ধরার কথা নয় বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন ওই এলাকার সচেতন জনগণ। তারা আরো অভিযোগ করেছেন, বর্তমান সরকারের দলীয় ঠিকাদারদের মাধ্যমে নদীভাঙ্গন রক্ষার কাজ করায় এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের কতিপয় দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তা দিয়ে ওই কাজ দেখভাল করার কারণে কোন কাজ জনগণের উপকারে আসছে না। অন্যদিকে লোপাট হয়ে যাচ্ছে সরকারি অর্থ। এসব থেকে রক্ষা পেতে প্রয়োজন দলীয় প্রভাব মুক্ত ঠিকাদার নিয়োগ এবং সৎ কর্মকর্তা দিয়ে তা তদারকি করা। অন্যথায় আজীবন নদী শাসনের জন্য যত টাকা ব্যয় করা হউক না কেন তা জনগণের কোন উপকারে আসবে না।

কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা

ঢাকা, ১ জুন (বাসস) : আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগ তৃণমূল নেতা-কর্মীদের এক মতবিনিময় সভা আগামীকাল দুপুর ১২টায় গণভবনে অনুষ্ঠিত হবে। আওয়ামী লীগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়। সভায় আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী সংসদের সকল কর্মকর্তা, সদস্য এবং কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী সংসদের কর্মকর্তা ও সদস্য, উপদেষ্টা পরিষদ, জাতীয় কমিটির সদস্য, দলের সংসদ সদস্যবৃন্দ, জেলা পরিষদের প্রশাসক, সকল উপজেলা, থানা, পৌর ও ইউনিয়ন শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, দল সমর্থিত উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের জেলা ও উপজেলা শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত থাকবেন। দলের সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাসময়ে উক্ত সভায় উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ